চবিতে ছাত্রী নিপীড়নের দায়ে বহিষ্কৃত দুই ছাত্রলীগ কর্মী পরীক্ষায় বসেছেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) গত বছর সেপ্টেম্বরে দুইজন ছাত্রীকে নিপীড়নের ঘটনায় চারজন ছাত্রকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের দুই কর্মী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় এই দুই শিক্ষার্থী অংশ নেন। বহিষ্কৃত চার শিক্ষার্থী হলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ইসলাম রুবেল, একই শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের মো. ইমন আহম্মেদ, রাকিব হাসান রাজু ও আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ আহম্মেদ। পরীক্ষায় অংশ নেয়া বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন মো. ইমন আহম্মেদ, রাকিব হাসান রাজু। বহিষ্কার হওয়া কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সভাপতি মো. আবদুল মান্নান বলেন, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কারের কথা শুনেছি। কিন্তু তাদের বহিষ্কারের অফিসিয়াল চিঠি তাদের কাছে আসেনি। সে কারণে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান বলেন, দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হবে। শীঘ্রই চিঠি পাঠানো হবে। তাদের পরীক্ষা আপনা-আপনি বাতিল হবে। এর আগে গত ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় যৌন নিপীড়ন সেলের সভায় চারজন ছাত্রকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে বহিষ্কৃত ৪ জনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দুইজন ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা করার অভিযোগ উঠে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০২২ , ২০ শ্রাবণ ১৪২৯ ৫ মহররম ১৪৪৪

চবিতে ছাত্রী নিপীড়নের দায়ে বহিষ্কৃত দুই ছাত্রলীগ কর্মী পরীক্ষায় বসেছেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) গত বছর সেপ্টেম্বরে দুইজন ছাত্রীকে নিপীড়নের ঘটনায় চারজন ছাত্রকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের দুই কর্মী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় এই দুই শিক্ষার্থী অংশ নেন। বহিষ্কৃত চার শিক্ষার্থী হলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ইসলাম রুবেল, একই শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের মো. ইমন আহম্মেদ, রাকিব হাসান রাজু ও আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ আহম্মেদ। পরীক্ষায় অংশ নেয়া বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন মো. ইমন আহম্মেদ, রাকিব হাসান রাজু। বহিষ্কার হওয়া কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সভাপতি মো. আবদুল মান্নান বলেন, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কারের কথা শুনেছি। কিন্তু তাদের বহিষ্কারের অফিসিয়াল চিঠি তাদের কাছে আসেনি। সে কারণে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান বলেন, দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হবে। শীঘ্রই চিঠি পাঠানো হবে। তাদের পরীক্ষা আপনা-আপনি বাতিল হবে। এর আগে গত ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় যৌন নিপীড়ন সেলের সভায় চারজন ছাত্রকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে বহিষ্কৃত ৪ জনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দুইজন ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা করার অভিযোগ উঠে।