নদীর মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষ আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নদীর তীর থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোয়ালনগর গ্রামের মেঘনা-বলভদ্র নদীর তীর থেকে মাটি কাটা নিয়ে গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মাসুক মিয়ার সাথে একই এলাকার রফিক মিয়ার প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এ নিয়ে উভয়ের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে প্রায় ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে উপজেলার চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৪টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করে।

৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হন। আহতদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। আহতদের মধ্যে থেকে ১৬ জনকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, চারজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত আছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ , ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ২০ রবিউস সানি ১৪৪৪

নদীর মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষ আহত ৩০

জেলা বার্তা পরিবেশক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : নদী থেকে মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষে গ্রামবাসী -সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নদীর তীর থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোয়ালনগর গ্রামের মেঘনা-বলভদ্র নদীর তীর থেকে মাটি কাটা নিয়ে গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মাসুক মিয়ার সাথে একই এলাকার রফিক মিয়ার প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এ নিয়ে উভয়ের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে প্রায় ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে উপজেলার চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৪টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করে।

৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হন। আহতদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। আহতদের মধ্যে থেকে ১৬ জনকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, চারজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত আছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।