নওগাঁয় নবান্ন উৎসব

নওগাঁর মাঠে মাঠে সোনালী ধানের সমারহ। বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। নতুন আমন ধানের মৌ মৌ ঘ্রাণ। চলছে ধানকাটা ও মাড়াইয়ের ধুম। ফলন যেমনই হোক, কৃষকের মুখে ধান কাটার গান মনে করিয়ে দেয় নবান্ন উৎসবের কথা। নতুন ধানের পিঠাপুলি দিয়ে নওগাঁয় পালন করা হচ্ছে নবান্ন উৎসব।

প্রতি বছরের মতো এবারও পহেলা অগ্রহায়ণে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নওগাঁয় দিনব্যাপী এই নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল থেকেই সমবায় চত্বরে সংস্কৃতিকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জড়ো হন। লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তুলে ধরা হচ্ছে গান, নৃত্য ও কবিতার ভাষায় ফসল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রা। শিল্পীদের কণ্ঠে কখনও একক, কখনো দলীয় গান, কখনও আবার গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য। নানান পরিবেশনা ছাড়াও উৎসবে আগতদের জন্য বসেছে পিঠা পুলির মেলা।

এই উপলক্ষে গত বুধবার সকালে শহরের সমবায় চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফুল ইসলাম খান, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেনসহ অন্যান্যরা।

জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি-ধর্ম-বর্ণকে উপেক্ষা করে নবান্নকে কেন্দ্র করে উৎসবে মেতে ওঠে। এ যেন সত্যিই হৃদয়ের বন্ধনকে আরও গাঢ় করার উৎসব।

আমরা প্রতি বছর পহেলা অগ্রহায়ণের এই দিনে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে থাকি। আগামীতেও নিয়মিত এই আয়োজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২ , ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৪

নওগাঁয় নবান্ন উৎসব

প্রতিনিধি, নওগাঁ

নওগাঁর মাঠে মাঠে সোনালী ধানের সমারহ। বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। নতুন আমন ধানের মৌ মৌ ঘ্রাণ। চলছে ধানকাটা ও মাড়াইয়ের ধুম। ফলন যেমনই হোক, কৃষকের মুখে ধান কাটার গান মনে করিয়ে দেয় নবান্ন উৎসবের কথা। নতুন ধানের পিঠাপুলি দিয়ে নওগাঁয় পালন করা হচ্ছে নবান্ন উৎসব।

প্রতি বছরের মতো এবারও পহেলা অগ্রহায়ণে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নওগাঁয় দিনব্যাপী এই নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল থেকেই সমবায় চত্বরে সংস্কৃতিকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জড়ো হন। লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তুলে ধরা হচ্ছে গান, নৃত্য ও কবিতার ভাষায় ফসল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রা। শিল্পীদের কণ্ঠে কখনও একক, কখনো দলীয় গান, কখনও আবার গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য। নানান পরিবেশনা ছাড়াও উৎসবে আগতদের জন্য বসেছে পিঠা পুলির মেলা।

এই উপলক্ষে গত বুধবার সকালে শহরের সমবায় চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফুল ইসলাম খান, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেনসহ অন্যান্যরা।

জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি-ধর্ম-বর্ণকে উপেক্ষা করে নবান্নকে কেন্দ্র করে উৎসবে মেতে ওঠে। এ যেন সত্যিই হৃদয়ের বন্ধনকে আরও গাঢ় করার উৎসব।

আমরা প্রতি বছর পহেলা অগ্রহায়ণের এই দিনে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে থাকি। আগামীতেও নিয়মিত এই আয়োজন করা হবে।