৬ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি স্কুলসংলগ্ন সেতুর

শ্রেণিকক্ষের সামনে দিয়ে যানবাহন চলাচল ও মানুষের যাতায়াতের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হয়। এ কারণে বিদ্যালয়ের অদূরে খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে যানবাহন চলাচল ও মানুষের যাতায়াতের জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৬ বছরেও সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় কোনো কাজেই আসছে না সেতুটি। এমন দৃশ্যই দেখা গেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সেতুটিতে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৩ টাকা ব্যয়ে বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের খালের ওপরে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। দক্ষিণ পাশে ইট-সুরকি ও রড় দিয়ে তৈরি একটি রিং পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জয়ঘোড়া, বীরপাশা, আনারকলি ও রাজাপুর গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়কটি বিদ্যালয় ভবনের সামনে দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম দিকে চলে গেছে। বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে বীরপাশা বাজার। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে ওই চার গ্রামের কমপক্ষে পাঁচ শতাধিক মানুষ রিকশা, অটোগাড়ি, টমটম ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করেন। এছাড়া বিভিন্ন মালবাহী যানবাহন বিদ্যালয় ভবনের সামনের ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হয়। মো. হুমায়ন কবির ও সুমন চন্দ্র দাস নামের দু’জন গ্রামবাসী বলেন, সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না। সেতুটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যালয়ের মাঠ দিয়ে যাতে যানবাহন ও মানুষ চলাচল না করে যাতে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য বিফলে গেছে। বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করলে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারবে।

পিআইও রাজিব বিশ্বাস বলেন, কয়েক বছর আগের কাজ। খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, খুব কম সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের উপযোগী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২ , ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৪

৬ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি স্কুলসংলগ্ন সেতুর

প্রতিনিধি, বাউফল (পটুয়াখালী)

image

বাউফল (পটুয়াখালী) : সংযোগ সড়কের অভাবে অব্যবহৃত হয়ে পড়ে আছে সেতু -সংবাদ

শ্রেণিকক্ষের সামনে দিয়ে যানবাহন চলাচল ও মানুষের যাতায়াতের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হয়। এ কারণে বিদ্যালয়ের অদূরে খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে যানবাহন চলাচল ও মানুষের যাতায়াতের জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৬ বছরেও সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় কোনো কাজেই আসছে না সেতুটি। এমন দৃশ্যই দেখা গেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সেতুটিতে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৩ টাকা ব্যয়ে বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের খালের ওপরে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। দক্ষিণ পাশে ইট-সুরকি ও রড় দিয়ে তৈরি একটি রিং পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জয়ঘোড়া, বীরপাশা, আনারকলি ও রাজাপুর গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়কটি বিদ্যালয় ভবনের সামনে দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম দিকে চলে গেছে। বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে বীরপাশা বাজার। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে ওই চার গ্রামের কমপক্ষে পাঁচ শতাধিক মানুষ রিকশা, অটোগাড়ি, টমটম ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করেন। এছাড়া বিভিন্ন মালবাহী যানবাহন বিদ্যালয় ভবনের সামনের ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হয়। মো. হুমায়ন কবির ও সুমন চন্দ্র দাস নামের দু’জন গ্রামবাসী বলেন, সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না। সেতুটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যালয়ের মাঠ দিয়ে যাতে যানবাহন ও মানুষ চলাচল না করে যাতে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য বিফলে গেছে। বীরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করলে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারবে।

পিআইও রাজিব বিশ্বাস বলেন, কয়েক বছর আগের কাজ। খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, খুব কম সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের উপযোগী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।