চলচ্চিত্র আন্দোলন ও মুহম্মদ খসরু

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রয়াত খন্দকার মুনীরুজ্জামান সম্পাদিত “মুহম্মদ খসরু : ক্যামেরা হাতে একজন চে” গ্রন্থটি মুহম্মদ খসরু স্মরণে একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। সম্পাদকের সঙ্গে মুহম্মদ খসরুর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিনের। মুহম্মদ খসরুর পাঠাভ্যাস ও চলচ্চিত্র আন্দোলন এদেশের চলচ্চিত্র পিপাসু ও বোদ্ধাদের আকৃষ্ট করে। খসরুর মৃত্যুর পর হাতেগোনা দুএকটি ছাড়া তাঁকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো কাজ চোখে পড়ে না। সেই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে খন্দকার মুনীরুজ্জামান কাজটিতে হাত দেন। এবং একসময় কাজটি অসামাপ্ত রেখে তিনিও প্রয়াত হন। অবশেষে তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিণী ডাঃ রোকাইয়া খাতুন রেখার কর্মতৎপরতায় গ্রন্থটি এ মাসেই প্রকাশিত হয়।

মুহম্মদ খসরু ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ১৯৪৬ সালে ভারতের হুগলি জেলায়জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কেরানীগঞ্জ উপজেলার রুহিতপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে। তাঁর পিতা হুগলি জুট মিলে কর্মরত ছিলেন। তবে ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর ১৯৫০-এর দশকে তাঁর পরিবার ঢাকা চলে আসে।

খসরু বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার (বিসিক) নকশা কেন্দ্রে আলোকচিত্রী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘পাকিস্তান চলচ্চিত্র সংসদ’-এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে খসরু অন্যতম। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সাল থেকে চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘ধ্রুপদী’ সম্পাদনা শুরু করেন- যার সর্বশেষ সংকলন প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এছাড়াও তিনি চলচ্চিত্রবিষয়ক আরও একটি পত্রিকা ‘চলচ্চিত্র’ সম্পাদনা করেছেন। খসরু বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ ও জাতীয়ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠায়গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষক হিসাবেও কাজ করেন। ১৯৭৫ সালে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার ‘পালঙ্ক’ ছবিটিতে খসরু ভারতীয়চলচ্চিত্রকার শ্রী রাজেন তরফদারের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ শুরু করার পেছনেও তাঁর অবদান রয়েছে। এছাড়া তিনি ১৯৭০-এর দশকে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে তাঁর ‘ধ্রুপদী’ পত্রিকায় প্রকাশ করেন- যা সে সময় বেশ সাড়া ফেলেছিল। পরে উপমহাদেশের বিভিন্ন পত্রিকায়পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল। মুহম্মদ খসরুর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন’, ‘বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ভূমিকা’ এবং ‘সাক্ষাৎকার চতুষ্টয়’। মুহম্মদ খসরু ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ছেড়ে শেষ নিশ^াস নেন।

অন্যদিকে সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান ১২ মার্চ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এবং করোনা মহামারির ছোবলে আমাদের ছেড়ে চলে যান ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর। সর্বশেষ কর্মজীবনে তিনি দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন। আজীবন বাম ধারার রাজনীতির আদর্শ লালন করেছেন। করেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সাংবাদিকতা। স্বাধীন সাংবাদিকতার বিকাশ ও উন্নয়নে তাঁর অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। গণমানুষের প্রতি তাঁর রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তাঁকে বিশিষ্ট করেছে। তিনি স্পষ্টভাষী নির্ভীক সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার সংগ্রামে তিনি ছিলেন এক অকুতোভয় যোদ্ধা। জীবনের শেষ কয়েক বছরে ‘অরিত্র’ নামে তিনি একটি প্রকাশনা সংস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করে গেছেন। সেখান থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বইও প্রকাশিত হয়েছে। মৃত্যুর আগে দীর্ঘ এক বছর ধরে তিনি মুহম্মদ খসরুর ওপর এই পা-ুলিপিটি প্রস্তুত করছিলেন, কিন্তু প্রকাশ করে যেতে পারেননি। তাঁরই সৃষ্ট প্রকাশনা সংস্থা থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে।

বইটিতে রয়েছে খসরুর ঘনিষ্ঠজন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মূল্যায়ন। সাক্ষাৎকার ও পত্রাবলি। সুসম্পাদিত গ্রন্থটির রচনাগুলিতে মুহম্মদ

খসরুর বোহেমিয়ান জীবন ও তার চলচ্চিত্র আন্দোলন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন পাঠক। সাক্ষাৎকার ও চিঠিতে মিলবে আরও নিবিড় খসরুর ভাবনাজগত। গ্রন্থে সূচিবদ্ধ হয়েছে- মুহম্মদ খসরু ভিন্নধারার সিনেমা দেখতে শিখিয়েছেন-রফিকুন নবী, ভ্রাত, ক্ষমা করো-আবুল হাসনাত, ক্যামেরা হাতে একজন চে-মুনীরুজ্জামান, মুহম্মদ খসরু- চলচ্চিত্র-এর দীর্ণ-বিদীর্ণ দৃশ্যাবলি-মামুন হুসাইন, খসরু ভাই আমাদের চক্ষুদান করেছেন-মইনুদ্দীন খালেদ, কোথাও কম্প্রোমাইজ করেননি মুহম্মদ খসরু-নিসার হোসেন, মুহম্মদ খসরু : একজন অভিমানী চলচ্চিত্র যোদ্ধা শিরোনামে মাসুদ করিমের মূল্যায়ন। এর বাইরে রয়েছে- মুহম্মদ খসরুর সঙ্গে মাহবুব আলমের কথাবার্তা, মুহম্মদ খসরুকে লেখা পত্রাবলি ও মুহম্মদ খসরু গৃহীত আদুর গোপালকৃষ্ণানের দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। মুহম্মদ খসরুর ফটোগ্রাফ অবলম্বনে গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন কবির হোসেন। বইটির পরিবেশক ঢাকায় জনান্তিক ও পশ্চিমবঙ্গে নয়া উদ্যোগ। বইটির ভূমিকা লিখেছেন মুহম্মদ খসরু ও খন্দকার মুনীরুজ্জামন- উভয়েরই ঘনিষ্ঠজন চলচ্চিত্র নির্মাতা মসিহ্উদ্দিন শাকের। - সাময়িকী প্রতিবেদক।

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২ , ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৪

চলচ্চিত্র আন্দোলন ও মুহম্মদ খসরু

image

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রয়াত খন্দকার মুনীরুজ্জামান সম্পাদিত “মুহম্মদ খসরু : ক্যামেরা হাতে একজন চে” গ্রন্থটি মুহম্মদ খসরু স্মরণে একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। সম্পাদকের সঙ্গে মুহম্মদ খসরুর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিনের। মুহম্মদ খসরুর পাঠাভ্যাস ও চলচ্চিত্র আন্দোলন এদেশের চলচ্চিত্র পিপাসু ও বোদ্ধাদের আকৃষ্ট করে। খসরুর মৃত্যুর পর হাতেগোনা দুএকটি ছাড়া তাঁকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো কাজ চোখে পড়ে না। সেই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে খন্দকার মুনীরুজ্জামান কাজটিতে হাত দেন। এবং একসময় কাজটি অসামাপ্ত রেখে তিনিও প্রয়াত হন। অবশেষে তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিণী ডাঃ রোকাইয়া খাতুন রেখার কর্মতৎপরতায় গ্রন্থটি এ মাসেই প্রকাশিত হয়।

মুহম্মদ খসরু ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ১৯৪৬ সালে ভারতের হুগলি জেলায়জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কেরানীগঞ্জ উপজেলার রুহিতপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে। তাঁর পিতা হুগলি জুট মিলে কর্মরত ছিলেন। তবে ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর ১৯৫০-এর দশকে তাঁর পরিবার ঢাকা চলে আসে।

খসরু বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার (বিসিক) নকশা কেন্দ্রে আলোকচিত্রী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘পাকিস্তান চলচ্চিত্র সংসদ’-এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে খসরু অন্যতম। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সাল থেকে চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘ধ্রুপদী’ সম্পাদনা শুরু করেন- যার সর্বশেষ সংকলন প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এছাড়াও তিনি চলচ্চিত্রবিষয়ক আরও একটি পত্রিকা ‘চলচ্চিত্র’ সম্পাদনা করেছেন। খসরু বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ ও জাতীয়ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠায়গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষক হিসাবেও কাজ করেন। ১৯৭৫ সালে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার ‘পালঙ্ক’ ছবিটিতে খসরু ভারতীয়চলচ্চিত্রকার শ্রী রাজেন তরফদারের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ শুরু করার পেছনেও তাঁর অবদান রয়েছে। এছাড়া তিনি ১৯৭০-এর দশকে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটকের একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে তাঁর ‘ধ্রুপদী’ পত্রিকায় প্রকাশ করেন- যা সে সময় বেশ সাড়া ফেলেছিল। পরে উপমহাদেশের বিভিন্ন পত্রিকায়পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল। মুহম্মদ খসরুর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন’, ‘বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ভূমিকা’ এবং ‘সাক্ষাৎকার চতুষ্টয়’। মুহম্মদ খসরু ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ছেড়ে শেষ নিশ^াস নেন।

অন্যদিকে সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান ১২ মার্চ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এবং করোনা মহামারির ছোবলে আমাদের ছেড়ে চলে যান ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর। সর্বশেষ কর্মজীবনে তিনি দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন। আজীবন বাম ধারার রাজনীতির আদর্শ লালন করেছেন। করেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সাংবাদিকতা। স্বাধীন সাংবাদিকতার বিকাশ ও উন্নয়নে তাঁর অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। গণমানুষের প্রতি তাঁর রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তাঁকে বিশিষ্ট করেছে। তিনি স্পষ্টভাষী নির্ভীক সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার সংগ্রামে তিনি ছিলেন এক অকুতোভয় যোদ্ধা। জীবনের শেষ কয়েক বছরে ‘অরিত্র’ নামে তিনি একটি প্রকাশনা সংস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করে গেছেন। সেখান থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বইও প্রকাশিত হয়েছে। মৃত্যুর আগে দীর্ঘ এক বছর ধরে তিনি মুহম্মদ খসরুর ওপর এই পা-ুলিপিটি প্রস্তুত করছিলেন, কিন্তু প্রকাশ করে যেতে পারেননি। তাঁরই সৃষ্ট প্রকাশনা সংস্থা থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে।

বইটিতে রয়েছে খসরুর ঘনিষ্ঠজন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মূল্যায়ন। সাক্ষাৎকার ও পত্রাবলি। সুসম্পাদিত গ্রন্থটির রচনাগুলিতে মুহম্মদ

খসরুর বোহেমিয়ান জীবন ও তার চলচ্চিত্র আন্দোলন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন পাঠক। সাক্ষাৎকার ও চিঠিতে মিলবে আরও নিবিড় খসরুর ভাবনাজগত। গ্রন্থে সূচিবদ্ধ হয়েছে- মুহম্মদ খসরু ভিন্নধারার সিনেমা দেখতে শিখিয়েছেন-রফিকুন নবী, ভ্রাত, ক্ষমা করো-আবুল হাসনাত, ক্যামেরা হাতে একজন চে-মুনীরুজ্জামান, মুহম্মদ খসরু- চলচ্চিত্র-এর দীর্ণ-বিদীর্ণ দৃশ্যাবলি-মামুন হুসাইন, খসরু ভাই আমাদের চক্ষুদান করেছেন-মইনুদ্দীন খালেদ, কোথাও কম্প্রোমাইজ করেননি মুহম্মদ খসরু-নিসার হোসেন, মুহম্মদ খসরু : একজন অভিমানী চলচ্চিত্র যোদ্ধা শিরোনামে মাসুদ করিমের মূল্যায়ন। এর বাইরে রয়েছে- মুহম্মদ খসরুর সঙ্গে মাহবুব আলমের কথাবার্তা, মুহম্মদ খসরুকে লেখা পত্রাবলি ও মুহম্মদ খসরু গৃহীত আদুর গোপালকৃষ্ণানের দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। মুহম্মদ খসরুর ফটোগ্রাফ অবলম্বনে গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন কবির হোসেন। বইটির পরিবেশক ঢাকায় জনান্তিক ও পশ্চিমবঙ্গে নয়া উদ্যোগ। বইটির ভূমিকা লিখেছেন মুহম্মদ খসরু ও খন্দকার মুনীরুজ্জামন- উভয়েরই ঘনিষ্ঠজন চলচ্চিত্র নির্মাতা মসিহ্উদ্দিন শাকের। - সাময়িকী প্রতিবেদক।