রাবি ক্যাম্পাস হোক ধুলামুক্ত

ক্যাম্পাস দূষিত আবহাওয়ার কবলে পড়ে শিক্ষার্থীরা যেন অসুস্থ না হয়ে পড়ে এবং সুন্দর পরিবেশকে আপন করে নিয়ে নিজ মনে বিশ্বায়নের শিক্ষা অর্জন করতে পারে- এ উদ্দেশ্য নিয়েই রাজশাহী শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপন হয়েছিল; কিন্তু ঘটনা ঘটলো ঠিক তার উল্টো। শহর হয়ে পড়ল ক্লিন সিটি নামে প্রসিদ্ধ। আর ক্যাম্পাস হয়ে গেল ধুলায় ধূসরিত।

সবচেয়ে সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠানের কেন আজ এই দুর্বিষহ অবস্থা? কেন আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাস্ক পরে রাস্তায় বেরোতে হয়? কেন আজ এই ধুলাবালির কবল থেকে নিজেকে বাঁচাতে হাতে থাকা ব্যাগের আশ্রয় নিতে হয়? হাতে থাকা বই-খাতার আশ্রয় নিতে হয়?

ক্যাম্পাসে যেন ধুলাবালির রাজত্ব চলছে। উত্তর দিকে ভার্সিটি রেলস্টেশন থেকে শুরু করে মেইনগেট পর্যন্ত আর দক্ষিণ দিকে বিনোদপুর গেট থেকে শুরু করে মেইনগেট পর্যন্ত, সব জায়গা ধুলাবালিতে পরিপূর্ণ। এ অসুস্থ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা জায়গায় বসে একটু কথা বলার সুযোগ হচ্ছে না ধুলাবালির অরাজকতার কারণে। কিছু শিক্ষার্থী আছে ধুলাবালির পরিবেশে তাদের জন্য বসবাস করা দায় হয়ে উঠেছে।

কারণ তাদের এলার্জির প্রবলেম আছে। এ বিষয়টির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলেই ধুলাবালিমুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দিতে পারেন শিক্ষার্থীদের। আর এটা হলে শিক্ষার্থীরা রোগবালাইমুক্ত পরিবেশ পাবে।

নেছার উদ্দিন চৌধুরী

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০২৩ , ৩০ ফাল্গুন ১৪২৯, ২২ শবান ১৪৪৪

রাবি ক্যাম্পাস হোক ধুলামুক্ত

ক্যাম্পাস দূষিত আবহাওয়ার কবলে পড়ে শিক্ষার্থীরা যেন অসুস্থ না হয়ে পড়ে এবং সুন্দর পরিবেশকে আপন করে নিয়ে নিজ মনে বিশ্বায়নের শিক্ষা অর্জন করতে পারে- এ উদ্দেশ্য নিয়েই রাজশাহী শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপন হয়েছিল; কিন্তু ঘটনা ঘটলো ঠিক তার উল্টো। শহর হয়ে পড়ল ক্লিন সিটি নামে প্রসিদ্ধ। আর ক্যাম্পাস হয়ে গেল ধুলায় ধূসরিত।

সবচেয়ে সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠানের কেন আজ এই দুর্বিষহ অবস্থা? কেন আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাস্ক পরে রাস্তায় বেরোতে হয়? কেন আজ এই ধুলাবালির কবল থেকে নিজেকে বাঁচাতে হাতে থাকা ব্যাগের আশ্রয় নিতে হয়? হাতে থাকা বই-খাতার আশ্রয় নিতে হয়?

ক্যাম্পাসে যেন ধুলাবালির রাজত্ব চলছে। উত্তর দিকে ভার্সিটি রেলস্টেশন থেকে শুরু করে মেইনগেট পর্যন্ত আর দক্ষিণ দিকে বিনোদপুর গেট থেকে শুরু করে মেইনগেট পর্যন্ত, সব জায়গা ধুলাবালিতে পরিপূর্ণ। এ অসুস্থ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা জায়গায় বসে একটু কথা বলার সুযোগ হচ্ছে না ধুলাবালির অরাজকতার কারণে। কিছু শিক্ষার্থী আছে ধুলাবালির পরিবেশে তাদের জন্য বসবাস করা দায় হয়ে উঠেছে।

কারণ তাদের এলার্জির প্রবলেম আছে। এ বিষয়টির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলেই ধুলাবালিমুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দিতে পারেন শিক্ষার্থীদের। আর এটা হলে শিক্ষার্থীরা রোগবালাইমুক্ত পরিবেশ পাবে।

নেছার উদ্দিন চৌধুরী