দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশনের অনুদান ঘোষণা

দেশে দক্ষতার সাথে ইন্টারনেট শিক্ষা ও ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধিতে একটি নতুন অনুদান কর্মসূচী শুরু করেছে ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন। এই উদ্যোগটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। স্ট্রেনদেনিং কমিউনিটি, ইমপ্রুভিং লাইভস অ্যান্ড লিভলিহুড (SCILLS) প্রোগ্রামের আওতায়, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানসমূহ দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী প্রকল্পের জন্য ২৫০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অনুদান পেতে পারে। প্রোগ্রামে আবেদনের শেষ সময় আগামী ৩১ মে, ২০২৩। ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক সারাহ আর্মস্ট্রং বলেন, “জীবনমান উন্নত করতে শুধুমাত্র ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি ইন্টারনেটের সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধিও প্রয়োজন। আমাদের লক্ষ্য ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সরঞ্জামগুলোকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা ব্যক্তি ও সাম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। এই অনুদান প্রোগ্রামে সেইসব সংস্থাগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যারা সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা ও শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কল্যাণে ভূমিকা রাখছে।”

গত বছরে বাংলাদেশে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে অনুদান প্রাপ্তরা হলেন:

টেক স্যুপ এবং টিচ ফর বাংলাদেশ-এর মধ্যকার পার্টনারশীপ: মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ৫,০০০ প্রান্তিক শিশু, ২০০ শিক্ষক এবং ২,০০০ অভিভাবকদের জন্য পর্যাপ্ত জ্ঞান, দক্ষতা এবং চাহিদা তৈরির মাধ্যমে অনলাইন শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা।

ক্রিশ্চিয়ান এইড: ই-কমার্সের শক্তির মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় দক্ষ নারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সাহায্য করা।

ফাউন্ডেশন ফর লার্নিং ইকুয়ালিটি: অনুন্নত শিক্ষা পরিবেশেও বিদ্যমান শিক্ষা সরঞ্জাম কাজে লাগিয়ে প্রাসঙ্গিক শিক্ষাদান নিশ্চিতে সাহায্য করা। এবারের অনুদান প্রোগ্রামটি ছয়টি দেশেকে টার্গেট করে আবেদন আহবান করা হয়েছে। দেশগুলো হলো; বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া এবং সেনেগাল। আবেদনের জন্য অনলাইন অনুদান ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ফ্লাক্স-এর মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। এই প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে: https://www.isocfoundation.org/grant-programme/scills-grant-programme| উল্লেখ্য, গ্লোবাল ডিজিটাল ইনসাইটস-এর তথ্য মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৮.৯% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এমন কিছু প্রকল্পের খোঁজ করছে, যার লক্ষ্য দেশের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করে। এর মধ্যে রয়েছে; উচ্চ-মানের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি, ভার্চুয়াল ও ডিস্টেন্স লার্ণিং পদ্ধতি ও দক্ষতা উন্নয়ন, আর্থিক সুযোগ তৈরি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই আয়ের উৎস নিশ্চিতকরণ।

মঙ্গলবার, ০৯ মে ২০২৩ , ২৬ বৈশাখ ১৪৩০, ১৮ ‍শাওয়াল ১৪৪৪

দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশনের অনুদান ঘোষণা

দেশে দক্ষতার সাথে ইন্টারনেট শিক্ষা ও ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধিতে একটি নতুন অনুদান কর্মসূচী শুরু করেছে ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন। এই উদ্যোগটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। স্ট্রেনদেনিং কমিউনিটি, ইমপ্রুভিং লাইভস অ্যান্ড লিভলিহুড (SCILLS) প্রোগ্রামের আওতায়, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানসমূহ দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী প্রকল্পের জন্য ২৫০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অনুদান পেতে পারে। প্রোগ্রামে আবেদনের শেষ সময় আগামী ৩১ মে, ২০২৩। ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক সারাহ আর্মস্ট্রং বলেন, “জীবনমান উন্নত করতে শুধুমাত্র ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি ইন্টারনেটের সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধিও প্রয়োজন। আমাদের লক্ষ্য ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সরঞ্জামগুলোকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা ব্যক্তি ও সাম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। এই অনুদান প্রোগ্রামে সেইসব সংস্থাগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যারা সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা ও শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কল্যাণে ভূমিকা রাখছে।”

গত বছরে বাংলাদেশে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে অনুদান প্রাপ্তরা হলেন:

টেক স্যুপ এবং টিচ ফর বাংলাদেশ-এর মধ্যকার পার্টনারশীপ: মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ৫,০০০ প্রান্তিক শিশু, ২০০ শিক্ষক এবং ২,০০০ অভিভাবকদের জন্য পর্যাপ্ত জ্ঞান, দক্ষতা এবং চাহিদা তৈরির মাধ্যমে অনলাইন শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা।

ক্রিশ্চিয়ান এইড: ই-কমার্সের শক্তির মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় দক্ষ নারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সাহায্য করা।

ফাউন্ডেশন ফর লার্নিং ইকুয়ালিটি: অনুন্নত শিক্ষা পরিবেশেও বিদ্যমান শিক্ষা সরঞ্জাম কাজে লাগিয়ে প্রাসঙ্গিক শিক্ষাদান নিশ্চিতে সাহায্য করা। এবারের অনুদান প্রোগ্রামটি ছয়টি দেশেকে টার্গেট করে আবেদন আহবান করা হয়েছে। দেশগুলো হলো; বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া এবং সেনেগাল। আবেদনের জন্য অনলাইন অনুদান ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ফ্লাক্স-এর মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। এই প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে: https://www.isocfoundation.org/grant-programme/scills-grant-programme| উল্লেখ্য, গ্লোবাল ডিজিটাল ইনসাইটস-এর তথ্য মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৮.৯% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এমন কিছু প্রকল্পের খোঁজ করছে, যার লক্ষ্য দেশের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করে। এর মধ্যে রয়েছে; উচ্চ-মানের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি, ভার্চুয়াল ও ডিস্টেন্স লার্ণিং পদ্ধতি ও দক্ষতা উন্নয়ন, আর্থিক সুযোগ তৈরি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই আয়ের উৎস নিশ্চিতকরণ।