রাজনৈতিক ‘ঝড়’ আসছে, মানুষের ভাষা বুঝতে শিখুন : ফখরুল

ক্ষমতা পাকাপোক্তে দেন-দরবার, ‘ক্যারিক্যাচার’ করে কোন লাভ হবে না, রাজনৈতিক ঝড় আসছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন ‘আমরা নির্বাচন চাই। আমরা সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ৩ দেশে সফরে গেল। কি নিয়ে আসলেন আমাদের জন্য? আসলে তারা ক্ষমতাকে কিভাবে পাকাপোক্ত করে রাখা যায় তার জন্য দেন দরবার করতে গিয়েছিলেন। জনগণের আন্দোলনকে ডাইভার্ট করার জন্য ‘ক্যারিক্যাচার’ (এদিক-ওদিক) করে কোন লাভ হবে না। আগামীদিন জনগনের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিষ্কার করে বলতে চাই- রাজনৈতিক ঝড় আসছে। যারা সরকারে আছেন, সরকার চালাচ্ছেন, এখনও সময় আছে আপনারা মানুষের ভাষা বুঝতে শিখুন, বোঝার চেষ্টা করুন। চোখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনারা অবিলম্বে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ক্ষমতা দিন। আমরা অবিলম্বে এই সরকারের পদত্যাগ চাই, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। আজকে বাংলাদেশকে যদি উদ্ধার করতে হয়, সত্যিকার অর্থে বাসযোগ্য আবাসভূমি করতে হয়, তাহলে আমাদেরকে আবারও ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার, নির্যাতনও সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে ঢাকাসহ সারাদেশে মহানগর-জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

মহানগর বিএনপির ঘোষণা অনুযায়ী, ১৯ মে ঢাকা মহানগর উত্তরসহ ২৮ জেলা ও মহানগর, ২০ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণসহ ২১ জেলা ও মহানগর, ২৬ মে ঢাকা মহানগর উত্তরসহ ১৯ জেলা এবং ২৭ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণসহ ১৫ জেলা ও মহানগরে জনসমাবেশ হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের এই আন্দোলন বিএনপিকে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য নয়। আমাদের এই আন্দোলন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য, গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য, নিম্ন আদালতে আবার আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ, গায়েবি মামলা দিয়ে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ১০ দফা দাবিতে এই কর্মসূচি হবে।’

নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী চারদিনই ঢাকা মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।

রবিবার, ১৪ মে ২০২৩ , ৩১ বৈশাখ ১৪৩০, ২৩ শাওয়াল ১৪৪৪

রাজনৈতিক ‘ঝড়’ আসছে, মানুষের ভাষা বুঝতে শিখুন : ফখরুল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

ক্ষমতা পাকাপোক্তে দেন-দরবার, ‘ক্যারিক্যাচার’ করে কোন লাভ হবে না, রাজনৈতিক ঝড় আসছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন ‘আমরা নির্বাচন চাই। আমরা সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ৩ দেশে সফরে গেল। কি নিয়ে আসলেন আমাদের জন্য? আসলে তারা ক্ষমতাকে কিভাবে পাকাপোক্ত করে রাখা যায় তার জন্য দেন দরবার করতে গিয়েছিলেন। জনগণের আন্দোলনকে ডাইভার্ট করার জন্য ‘ক্যারিক্যাচার’ (এদিক-ওদিক) করে কোন লাভ হবে না। আগামীদিন জনগনের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিষ্কার করে বলতে চাই- রাজনৈতিক ঝড় আসছে। যারা সরকারে আছেন, সরকার চালাচ্ছেন, এখনও সময় আছে আপনারা মানুষের ভাষা বুঝতে শিখুন, বোঝার চেষ্টা করুন। চোখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনারা অবিলম্বে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ক্ষমতা দিন। আমরা অবিলম্বে এই সরকারের পদত্যাগ চাই, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। আজকে বাংলাদেশকে যদি উদ্ধার করতে হয়, সত্যিকার অর্থে বাসযোগ্য আবাসভূমি করতে হয়, তাহলে আমাদেরকে আবারও ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার, নির্যাতনও সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে ঢাকাসহ সারাদেশে মহানগর-জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

মহানগর বিএনপির ঘোষণা অনুযায়ী, ১৯ মে ঢাকা মহানগর উত্তরসহ ২৮ জেলা ও মহানগর, ২০ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণসহ ২১ জেলা ও মহানগর, ২৬ মে ঢাকা মহানগর উত্তরসহ ১৯ জেলা এবং ২৭ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণসহ ১৫ জেলা ও মহানগরে জনসমাবেশ হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের এই আন্দোলন বিএনপিকে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য নয়। আমাদের এই আন্দোলন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য, গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য, নিম্ন আদালতে আবার আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ, গায়েবি মামলা দিয়ে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ১০ দফা দাবিতে এই কর্মসূচি হবে।’

নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী চারদিনই ঢাকা মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে।