কিইভে নজিরবিহীন হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেইনের রাজধানীতে আকাশপথে তুমুল হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তীব্রতার দিক থেকে এটি ছিল নজিরবিহীন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কিয়েভে ড্রোন, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে হামলা চলিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেইনের রাজধানীর সামরিক প্রশাসনের প্রধান সেরহি পপকোর মতে, এবার রাশিয়া স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সর্বাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে চালানো এই হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছে বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আসা ভিডিওতে ইউক্রেইনের রাজধানীর বিভিন্ন অংশে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে গুলি চালানোর দৃশ্য দেখা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই দক্ষিণাঞ্চলে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা-আক্রমণ চালাবে ইউক্রেইন কিন্তু তার আগে আকাশ পথে রাশিয়ার হামলার তীব্রতা বেড়েছে।

স্থানীয় সময় রাত আড়াইটার দিকে কিইভে আকাশপথে হামলার সতর্ক সংকেত দেওয়া সাইরেন বেজে ওঠে, দুই ঘণ্টা পর তা বন্ধ হয়। ইউক্রেইনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ভালেরি জালুঝনি বলেছেন, রাশিয়া উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিক থেকে কিইভে আকাশ, সমুদ্র ও ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। সব ক্ষেপণাস্ত্রই ইউক্রেইন ভূপাতিত করেছে। একাধিক সরকারি সতর্ক বার্তায় আকাশে নিস্ক্রিয় করে দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে রক্ষায় লোকজনকে জানালা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। কিছু রকেটের ধ্বংসাবশেষ চিড়িয়াখানাসহ শহরের কেন্দ্রস্থ এলাকাগুলোতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিৎস্কো। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিইভের আকাশে শত্রুর লক্ষ্যের বেশিরভাগই শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে, বলেছেন তিনি। এদিনের রুশ হামলায় সোলোমিয়ানস্কি এ লাকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ওই জেলাতেই কিইভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থান। পপকো আরো জানিয়েছেন, ওই জেলার একটি অনাবাসিক এলাকায় ধরে যাওয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হেই পোপকো এই হামলা সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে মন্তব্য করেন, এর তীব্রতা ছিল ব্যতিক্রমধর্মী ন্যূনতম সময়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, কিয়েভের আকাশেই শত্রুপক্ষের বেশিরভাগ টার্গেট (ক্ষেপণাস্ত্র/ড্রোন) চিহ্নিত ও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত কিছুদিন ধরে ইউরোপ সফরে আছেন। এরই মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁসহ মিত্রদের কাছ থেকে কয়েকশ কোটি ডলার সমমূল্যের অস্ত্র সহায়তার আশ্বাস আদায় করে নিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী ঠিক কতগুলো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে পেরেছে এবং কতগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো রয়টার্সকে জানান, কিয়েভ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বে শহর বরিস্পিলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। এ শহরেই কিয়েভের প্রধান যাত্রীবাহী বিমানবন্দরের অবস্থান, যা বর্তমানে বন্ধ আছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি কিয়েভের মেয়রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ধ্বংস হয়ে যাওয়া রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্টাংশ রাজধানীর বেশ কয়েকটি অংশে পড়েছে। এর মধ্যে আছে শহরের চিড়িয়াখানা। এ ঘটনায় কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। অন্তত ১টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যান্য জেলায় তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে সেখানকার সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকেই ইউক্রেনজুড়ে উড়োজাহাজ হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। কিয়েভ ও সংলগ্ন এলাকায় টানা ৩ ঘণ্টা ধরে সাইরেন বেজেছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাট্টা বৃহত্তর ইউরোপের নেতৃবৃন্দ: কাউন্সিল অব ইউরোপ (সিওই) থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কারের এক বছর পর দেশটির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের থাকতে গতকাল মঙ্গলবার আইসল্যান্ডে জড়ো হয়েছেন সংস্থাটির ৪৬ সদস্য রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ। রেইকজাভিকে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ ইউক্রেনে মৃত্যু ও ধ্বংসের জন্যে রাশিয়াকে আইনগতভাবে দায়ী করার উপায় নিশ্চিতের চেষ্টা করবেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন কিনা সে সম্পর্কে গত সোমবার পর্যন্ত কোনো কিছু জানা যায়নি।

তবে তিনি ইউরোপের বৃহৎ দেশগুলো সফরে রয়েছেন। কেবলমাত্র পৌঁছানোর কিছু আগে তার সফরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান আরসুলা ভন দার লিয়েন শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, যতদিন লাগে তারা ইউক্রেনকে সহযোগিতা করে যাবেন। রাশিয়াকে কিভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় রিকজাভিকে আমরা সে সম্পর্কে আলোচনা করব। রাশিয়াকে বিচারের আওতায় আনার জন্যে একটি কার্যকর ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিষয়ে আমি সমর্থন দেব।

image

ইউক্রেনের কিয়েভে, ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণের মধ্যে একটি রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় একটি ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকে আসা ফ্ল্যাশ কিয়েভকে আলোকিত করে -রয়টার্স

আরও খবর
নিউজিল্যান্ডে হোস্টেলে আগুন নিহত ৬
ইমরান খানের জামিন বাড়লো ৮ জুন পর্যন্ত
সবার প্রধানমন্ত্রী হতে প্রস্তুত পিটা

বুধবার, ১৭ মে ২০২৩ , ০৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৬ শাওয়াল ১৪৪৪

কিইভে নজিরবিহীন হামলা রাশিয়ার

image

ইউক্রেনের কিয়েভে, ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণের মধ্যে একটি রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় একটি ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকে আসা ফ্ল্যাশ কিয়েভকে আলোকিত করে -রয়টার্স

ইউক্রেইনের রাজধানীতে আকাশপথে তুমুল হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তীব্রতার দিক থেকে এটি ছিল নজিরবিহীন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কিয়েভে ড্রোন, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে হামলা চলিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেইনের রাজধানীর সামরিক প্রশাসনের প্রধান সেরহি পপকোর মতে, এবার রাশিয়া স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সর্বাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে চালানো এই হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছে বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আসা ভিডিওতে ইউক্রেইনের রাজধানীর বিভিন্ন অংশে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে গুলি চালানোর দৃশ্য দেখা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই দক্ষিণাঞ্চলে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা-আক্রমণ চালাবে ইউক্রেইন কিন্তু তার আগে আকাশ পথে রাশিয়ার হামলার তীব্রতা বেড়েছে।

স্থানীয় সময় রাত আড়াইটার দিকে কিইভে আকাশপথে হামলার সতর্ক সংকেত দেওয়া সাইরেন বেজে ওঠে, দুই ঘণ্টা পর তা বন্ধ হয়। ইউক্রেইনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ভালেরি জালুঝনি বলেছেন, রাশিয়া উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিক থেকে কিইভে আকাশ, সমুদ্র ও ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। সব ক্ষেপণাস্ত্রই ইউক্রেইন ভূপাতিত করেছে। একাধিক সরকারি সতর্ক বার্তায় আকাশে নিস্ক্রিয় করে দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে রক্ষায় লোকজনকে জানালা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। কিছু রকেটের ধ্বংসাবশেষ চিড়িয়াখানাসহ শহরের কেন্দ্রস্থ এলাকাগুলোতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিৎস্কো। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিইভের আকাশে শত্রুর লক্ষ্যের বেশিরভাগই শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে, বলেছেন তিনি। এদিনের রুশ হামলায় সোলোমিয়ানস্কি এ লাকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ওই জেলাতেই কিইভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থান। পপকো আরো জানিয়েছেন, ওই জেলার একটি অনাবাসিক এলাকায় ধরে যাওয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হেই পোপকো এই হামলা সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে মন্তব্য করেন, এর তীব্রতা ছিল ব্যতিক্রমধর্মী ন্যূনতম সময়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, কিয়েভের আকাশেই শত্রুপক্ষের বেশিরভাগ টার্গেট (ক্ষেপণাস্ত্র/ড্রোন) চিহ্নিত ও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত কিছুদিন ধরে ইউরোপ সফরে আছেন। এরই মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁসহ মিত্রদের কাছ থেকে কয়েকশ কোটি ডলার সমমূল্যের অস্ত্র সহায়তার আশ্বাস আদায় করে নিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী ঠিক কতগুলো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে পেরেছে এবং কতগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো রয়টার্সকে জানান, কিয়েভ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বে শহর বরিস্পিলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। এ শহরেই কিয়েভের প্রধান যাত্রীবাহী বিমানবন্দরের অবস্থান, যা বর্তমানে বন্ধ আছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি কিয়েভের মেয়রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ধ্বংস হয়ে যাওয়া রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্টাংশ রাজধানীর বেশ কয়েকটি অংশে পড়েছে। এর মধ্যে আছে শহরের চিড়িয়াখানা। এ ঘটনায় কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। অন্তত ১টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যান্য জেলায় তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে সেখানকার সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকেই ইউক্রেনজুড়ে উড়োজাহাজ হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। কিয়েভ ও সংলগ্ন এলাকায় টানা ৩ ঘণ্টা ধরে সাইরেন বেজেছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাট্টা বৃহত্তর ইউরোপের নেতৃবৃন্দ: কাউন্সিল অব ইউরোপ (সিওই) থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কারের এক বছর পর দেশটির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের থাকতে গতকাল মঙ্গলবার আইসল্যান্ডে জড়ো হয়েছেন সংস্থাটির ৪৬ সদস্য রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ। রেইকজাভিকে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ ইউক্রেনে মৃত্যু ও ধ্বংসের জন্যে রাশিয়াকে আইনগতভাবে দায়ী করার উপায় নিশ্চিতের চেষ্টা করবেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন কিনা সে সম্পর্কে গত সোমবার পর্যন্ত কোনো কিছু জানা যায়নি।

তবে তিনি ইউরোপের বৃহৎ দেশগুলো সফরে রয়েছেন। কেবলমাত্র পৌঁছানোর কিছু আগে তার সফরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান আরসুলা ভন দার লিয়েন শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, যতদিন লাগে তারা ইউক্রেনকে সহযোগিতা করে যাবেন। রাশিয়াকে কিভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় রিকজাভিকে আমরা সে সম্পর্কে আলোচনা করব। রাশিয়াকে বিচারের আওতায় আনার জন্যে একটি কার্যকর ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিষয়ে আমি সমর্থন দেব।