সাফ ফুটবলে শক্তিশালী গ্রুপে বাংলাদেশ

গ্রুপে লেবাননের থাকা চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কোচ

ভারতে অনুষ্ঠেয় সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ পেয়েছে লেবানন। ২১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে তাদের সঙ্গেই একই গ্রুপে পড়েছে ২০০৩ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

গতকাল ১৪তম সাফের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের দিল্লিতে। আমন্ত্রিত দুই দল লেবানন ও কুয়েতসহ দক্ষিণ এশিয়ার ছয় দলের র‌্যাঙ্কিং বিবেচনায় নেয়া হয়। সেখানে টুর্নামেন্টে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা লেবানন (৯৯) ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে (১০১) দুই পটে রেখে ড্র করেছে আয়োজকরা।

‘বি’ গ্রুপে লেবানন ও বাংলাদেশ ছাড়াও আছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপ (১৫৪) ও ভুটান (১৮৫)। বাংলাদেশ ২২ জুন লেবানন, ২৫ জুন মালদ্বীপ, ২৮ জুন ভুটানের বিপক্ষে খেলবে । ১ জুলাই সেমিফাইনাল ও ৪ জুলাই সাফের ফাইনাল। ‘এ’ গ্রুপে ভারত ছাড়াও রয়েছে কুয়েত (১৪৩), নেপাল (১৭৪) ও পাকিস্তান (১৯৫)। দুই আসর পর পাকিস্তান এবারের সাফে অংশ নিচ্ছে।

গ্রুপে লেবাননের থাকা চ্যালেঞ্জ

মনে করছেন কোচ

বাংলাদেশ গ্রুপকে বেশ চ্যালেঞ্জিং মনে করছেন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।

গতকাল বাফুফে ভবনের সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপিং নিয়ে আলাপকালে বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ কাবরেরা বলেন, ‘এটা চ্যালেঞ্জিং গ্রুপ। আমরাও প্রত্যাশা করছিলাম... দুটি গ্রুপই কঠিন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে ওপরে থাকা লেবাননকে গ্রুপে পেয়েছি, কিন্তু ড্র নিয়ে আমাদের মনোভাব ইতিবাচক। বিশ্বাস করি, নিজেদের পর্যায়ের পারফর্ম করতে পারলে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সুযোগ থাকবে।’

আসন্ন সাফ ফুটবলের সেমিফাইনালে চোখ কাবরেরার, ‘আবারও বলছি, আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ যেতে চাই। প্রথমে সেমিফাইনালে উঠতে চাই। ড্র নিয়ে আমরা খুশি। দুটি গ্রুপই শক্তিশালী এবং চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস ধরে রাখবো। ইতিবাচক থাকবো এবং লক্ষ্য অর্জনের আশা রাখবো।’

২০০৯ সালের পর বাংলাদেশ আর সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। এবার আশাবাদী ৩৭ বছর বয়সী কোচ, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সব প্রতিপক্ষের জন্য আমরা পরিস্থিতি কঠিন করে তুলতে পারি এবং নিজেদের সেরাটা পারফর্ম করে (লক্ষ্য পূরণ করতে পারি)। নিজেদের সামর্থ্য আমরা জানি, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই করার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে। তবে সেমিফাইনালে উঠতে হলে আমাদের যোগ্য দল হয়ে উঠতে হবে, জিততে হবে।’

৪ জুনে ক্যাম্প শুরু হচ্ছে জামাল ভূঁইয়াদের। এরপর কম্বোডিয়াতে খেলতে যাবে দল। কাবরেরা বলেন, ‘সাফের আগে আমরা কম্বোডিয়ায় গিয়ে তাদের বিপক্ষে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবো। আমি মনে করি, সেটা আমাদের জন্য ভালো একটা চ্যালেঞ্জ হবে। এখানে এক সপ্তাহ প্রস্তুতি নেবো এবং কম্বোডিয়া ম্যাচের পরও দল গুছিয়ে নেবো। বর্তমান স্কোয়াড নিয়ে আমি খুশি। যে ৩৫ জন প্রাথমিক বাছাই করেছি, এর সঙ্গে নতুন কেউ যোগ হবে না। এখান থেকেই আমি ২৭ জনকে বেছে নেবো। তবে এর বাইরেও খেলোয়াড়দের ইনজুরি বা অনেক কিছু হতে পারে। তখন আমরা সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবো।’

বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩ , ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৪

সাফ ফুটবলে শক্তিশালী গ্রুপে বাংলাদেশ

গ্রুপে লেবাননের থাকা চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কোচ

image

ভারতে অনুষ্ঠেয় সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ পেয়েছে লেবানন। ২১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে তাদের সঙ্গেই একই গ্রুপে পড়েছে ২০০৩ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

গতকাল ১৪তম সাফের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের দিল্লিতে। আমন্ত্রিত দুই দল লেবানন ও কুয়েতসহ দক্ষিণ এশিয়ার ছয় দলের র‌্যাঙ্কিং বিবেচনায় নেয়া হয়। সেখানে টুর্নামেন্টে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা লেবানন (৯৯) ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে (১০১) দুই পটে রেখে ড্র করেছে আয়োজকরা।

‘বি’ গ্রুপে লেবানন ও বাংলাদেশ ছাড়াও আছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপ (১৫৪) ও ভুটান (১৮৫)। বাংলাদেশ ২২ জুন লেবানন, ২৫ জুন মালদ্বীপ, ২৮ জুন ভুটানের বিপক্ষে খেলবে । ১ জুলাই সেমিফাইনাল ও ৪ জুলাই সাফের ফাইনাল। ‘এ’ গ্রুপে ভারত ছাড়াও রয়েছে কুয়েত (১৪৩), নেপাল (১৭৪) ও পাকিস্তান (১৯৫)। দুই আসর পর পাকিস্তান এবারের সাফে অংশ নিচ্ছে।

গ্রুপে লেবাননের থাকা চ্যালেঞ্জ

মনে করছেন কোচ

বাংলাদেশ গ্রুপকে বেশ চ্যালেঞ্জিং মনে করছেন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।

গতকাল বাফুফে ভবনের সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপিং নিয়ে আলাপকালে বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ কাবরেরা বলেন, ‘এটা চ্যালেঞ্জিং গ্রুপ। আমরাও প্রত্যাশা করছিলাম... দুটি গ্রুপই কঠিন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে ওপরে থাকা লেবাননকে গ্রুপে পেয়েছি, কিন্তু ড্র নিয়ে আমাদের মনোভাব ইতিবাচক। বিশ্বাস করি, নিজেদের পর্যায়ের পারফর্ম করতে পারলে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সুযোগ থাকবে।’

আসন্ন সাফ ফুটবলের সেমিফাইনালে চোখ কাবরেরার, ‘আবারও বলছি, আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ যেতে চাই। প্রথমে সেমিফাইনালে উঠতে চাই। ড্র নিয়ে আমরা খুশি। দুটি গ্রুপই শক্তিশালী এবং চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস ধরে রাখবো। ইতিবাচক থাকবো এবং লক্ষ্য অর্জনের আশা রাখবো।’

২০০৯ সালের পর বাংলাদেশ আর সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। এবার আশাবাদী ৩৭ বছর বয়সী কোচ, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সব প্রতিপক্ষের জন্য আমরা পরিস্থিতি কঠিন করে তুলতে পারি এবং নিজেদের সেরাটা পারফর্ম করে (লক্ষ্য পূরণ করতে পারি)। নিজেদের সামর্থ্য আমরা জানি, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই করার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে। তবে সেমিফাইনালে উঠতে হলে আমাদের যোগ্য দল হয়ে উঠতে হবে, জিততে হবে।’

৪ জুনে ক্যাম্প শুরু হচ্ছে জামাল ভূঁইয়াদের। এরপর কম্বোডিয়াতে খেলতে যাবে দল। কাবরেরা বলেন, ‘সাফের আগে আমরা কম্বোডিয়ায় গিয়ে তাদের বিপক্ষে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবো। আমি মনে করি, সেটা আমাদের জন্য ভালো একটা চ্যালেঞ্জ হবে। এখানে এক সপ্তাহ প্রস্তুতি নেবো এবং কম্বোডিয়া ম্যাচের পরও দল গুছিয়ে নেবো। বর্তমান স্কোয়াড নিয়ে আমি খুশি। যে ৩৫ জন প্রাথমিক বাছাই করেছি, এর সঙ্গে নতুন কেউ যোগ হবে না। এখান থেকেই আমি ২৭ জনকে বেছে নেবো। তবে এর বাইরেও খেলোয়াড়দের ইনজুরি বা অনেক কিছু হতে পারে। তখন আমরা সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবো।’