পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করুন

১২৩০ একরের ক্যাম্পাস বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে সাত হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে পড়াশোনা করছে। সবুজে ঘেরা এ ক্যাম্পাসে যেখানে সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় পলিথিন ব্যাগ। পলিথিন বায়োডিগ্রেডেবল বা জীবাণু বিয়োজ্য না হওয়ায় বহুদিন মাটির সঙ্গে মিশে না। ফলে বর্জ্য পলিথিনগুলো মাটি ও পরিবেশ দূষণ করছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে অবস্থিত আব্দুল জব্বার মোড়, কেআর মার্কেট এবং ফসিলেরন মোড় থাকা দোকানগুলোতে বাজার করতে গেলে তাদের ধরিয়ে দেয়া হয় পলিথিন ব্যাগ। বিভিন্ন সময় তারা খাদ্যদ্রব্য পার্সেল হিসেবে রুমে নিয়ে যায়। খাবার হোটেল তারা খাবার পার্সেল হিসেবে নিতে গেলে দেখা যায় হোটেল থেকে ভাত,তরকারি ও অনান্য খাদ্য সামগ্রী পিলিথিনে পার্সেল করে দেয়। পলিথিনে গরম খাবার পার্সেল করা হয়। যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

জব্বার মোড়ে রয়েছে ছোট-বড় ৬টি খাবার হোটেল। ছোট-বড় হোটেলগুলোতে দিনে ১-২ কেজি পলিথিন প্রয়োজন হয়। শুধু বাকৃবির বিভিন্ন মোড়ে থাকা হোটেলগুলো প্রতি বছর প্রায় চার টন পলিথিন বর্জ্য সৃষ্টি করে। এছাড়া ক্যাম্পাসে থাকা দোকানগুলোও অবাধে পলিথিন ব্যবহার করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের হোটেলগুলো যে পলিথিন বর্জ্য সৃষ্টি করছে, তা মাটির সঙ্গে মিশে পরিবেশ দুষণ করছে। এটা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। অস্বাস্থ্যকর পলিথিনে খাবার পার্সেল করা হলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।

তাই পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এটা আমারা আশা করি।

আহসান উল্লাহ উৎস

বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩ , ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৪

পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করুন

১২৩০ একরের ক্যাম্পাস বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে সাত হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে পড়াশোনা করছে। সবুজে ঘেরা এ ক্যাম্পাসে যেখানে সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় পলিথিন ব্যাগ। পলিথিন বায়োডিগ্রেডেবল বা জীবাণু বিয়োজ্য না হওয়ায় বহুদিন মাটির সঙ্গে মিশে না। ফলে বর্জ্য পলিথিনগুলো মাটি ও পরিবেশ দূষণ করছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে অবস্থিত আব্দুল জব্বার মোড়, কেআর মার্কেট এবং ফসিলেরন মোড় থাকা দোকানগুলোতে বাজার করতে গেলে তাদের ধরিয়ে দেয়া হয় পলিথিন ব্যাগ। বিভিন্ন সময় তারা খাদ্যদ্রব্য পার্সেল হিসেবে রুমে নিয়ে যায়। খাবার হোটেল তারা খাবার পার্সেল হিসেবে নিতে গেলে দেখা যায় হোটেল থেকে ভাত,তরকারি ও অনান্য খাদ্য সামগ্রী পিলিথিনে পার্সেল করে দেয়। পলিথিনে গরম খাবার পার্সেল করা হয়। যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

জব্বার মোড়ে রয়েছে ছোট-বড় ৬টি খাবার হোটেল। ছোট-বড় হোটেলগুলোতে দিনে ১-২ কেজি পলিথিন প্রয়োজন হয়। শুধু বাকৃবির বিভিন্ন মোড়ে থাকা হোটেলগুলো প্রতি বছর প্রায় চার টন পলিথিন বর্জ্য সৃষ্টি করে। এছাড়া ক্যাম্পাসে থাকা দোকানগুলোও অবাধে পলিথিন ব্যবহার করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের হোটেলগুলো যে পলিথিন বর্জ্য সৃষ্টি করছে, তা মাটির সঙ্গে মিশে পরিবেশ দুষণ করছে। এটা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। অস্বাস্থ্যকর পলিথিনে খাবার পার্সেল করা হলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।

তাই পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এটা আমারা আশা করি।

আহসান উল্লাহ উৎস