দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে এরদোয়ানের বিপক্ষে একজোট বিরোধীরা

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কেউ প্রয়োজনীয় ভোট না পওয়ায় আগামী ২৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এমন অবস্থায় তুরস্কে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে হারাতে একজোট হয়েছে বিরোধী দলগুলো। জোটের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন কামাল কিরিকদারোগলু।

গত মঙ্গলবার এক ভিডিওতে কামালকে দেখা যায় মুষ্টিবদ্ধ হাতে তিনি চিৎকার করে বলছেন, ‘আমি এখানে আছি, আমি এখানে।’ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা কামাল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রচার চালানোর চেষ্টা করেছিলেন। প্রচারণায় রান্নাঘর থেকে রেকর্ড করা চ্যাট ক্লিপগুলোতে ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন। এসব বার্তায় এরদোয়ানের করা সব মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফার নির্বাচনে জিততে না পেরে প্রচারণা টিমকে বাদ দিয়েছেন কামাল। এরদোয়ানের তীব্র বিরোধী ও ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামগলুকে এবার নির্বাচনী প্রচারণার দায়িত্ব দিতে চাইছেন তিনি।

আল-জাজিরা জানায়, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে এরদোয়ান জয়ী হলে তুরস্কের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসক হিসেবে তার অবস্থান বজায় থাকবে। তার অধীন তুরস্কে ২০১৮ সালে গৃহীত প্রেসিডেন্টশাসিত শাসনব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। জীবনযাপনের খরচ বাড়া জনিত চাপ থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে এরদোয়ান সরকার জ্বালানি বিলে ভর্তুকি, অবসর ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। অন্যদিকে, যদি কামাল জয়ী হন, তবে বোঝা যাবে ভোটারদের একটা বড় অংশ পরিবর্তন চান। মধ্যপন্থি নেতা কামাল তুরস্কে ‘দৃঢ় সংসদীয় শাসনব্যবস্থা’ ফিরিয়ে আনবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এদিকে, তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) বলেছে, নির্বাচনে হাজারো ব্যালট বাক্সে অনিয়ম হয়েছে। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে তারা।

ধর্মনিরপেক্ষ দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) ডেপুটি চেয়ারম্যান মুহাররেম এরকেক বলেন, প্রতিটি ব্যালট বাক্সের ক্ষেত্রেই কোনো না কোনো অনিয়ম দেখা গেছে। কোথাও হয়তো একটি ভোট গুনতে ভুল হয়েছে, আবার কোথাও শত শত ভোট গুনতে ভুল হয়েছে।

নির্বাচনে দেশজুড়ে ব্যবহৃত ২ হাজার ২৬৯টির বেশি ব্যালট বাক্সে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে সিএইচপি। একই দিনে পার্লামেন্ট নির্বাচনে ব্যবহৃত ৪ হাজার ৮২৫টি ব্যালট বাক্সেও অনিয়ম হয়েছে।

এরকেক বলেন, নির্বাচনের জন্য তুরস্কে এবং দেশটির বাইরে ২ লাখ ১ হাজার ৮০৭টি ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। এরকেকের তথ্যানুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার সময়সীমা গত সোমবার শেষ হয়েছে। আর পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানানোর সময়সীমা শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার। তিনি জানিয়েছেন, এসব সময়সীমার মধ্যেই সিএইচপি তাদের সব কটি আবেদন জানিয়েছে।

সিএইচপিসহ বিরোধী জোট তরুণ ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে, তারা যেন দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কামালকে সমর্থন দেন। আর এরদোয়ান প্রচার চালাচ্ছেন, একমাত্র তিনিই নেটোর সদস্য দেশ তুরস্কে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারেন।

এবারের এই নির্বাচনটি পশ্চিমা দেশগুলো খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ কামাল তুরস্কে গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি তার নেটো মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ইসলামপন্থি সরকার পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তার পতনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছে।

গত সোমবার কামাল মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে আঙ্কারায় তার দলের সদর দফতরে একটি মঞ্চে এসে দাঁড়ান এবং ভোট নিয়ে খুব আশাবাদী দেখানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। যদি গোটা জাতি [ভোটে] দ্বিতীয় রাউন্ডের কথা বলে, তাহলেও আমরা দ্বিতীয় রাউন্ডে জিতব, বলেন তিনি।

দলীয় সদর দফতরের বাইরে সমর্থকরা বার বার করে একটি স্লোগান দিচ্ছিলেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু সেটা যে কী হবে তা ঠিক পরিষ্কার না।

এর আগে তিনি বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে সরকারকে বারবার চ্যালেঞ্জ করেন এবং ক্রুদ্ধভাবে অভিযোগ করেন যে সরকার গণরায়কে ঠেকিয়ে দিতে চাইছে।

তার দলের দুই উদীয়মান তারকা ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার মেয়রও ভোটারদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে এটি এমন একটি কৌশল যা এরদোয়ানের একে পার্টি আগেও ব্যবহার করেছিল।

ভোটের সময় যাতে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে ব্যালট পেপার পাহারা দিয়েছিলেন যে বিরোধীদলীয় স্বেচ্ছাসেবকদের বিশাল দল তারা তাদেরও প্রশংসা করেন।

কামাল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির নেতা হিসাবে আগে বেশ ক’টি নির্বাচনে হেরেছেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতির মাত্রাতিরিক্ত ক্ষমতা বাতিল করার প্রশ্নে তার বার্তাটি জনমনে গভীর দাগ কেটেছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে পর পর দু’বার ভূমিকম্পের সময় ধীর উদ্ধার তৎপরতার জন্য এরদোয়ানের সরকারকে দায়ী করা হয়েছে। তুরস্কের ১১টি প্রদেশে ঐ ভূমিকম্পে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। তবে ঐ ঘটনার পর খুব কঠিন ক’মাস পর হলেও তুরস্কের প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট এখনও জনপ্রিয়তা বজায় রেখেছেন বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে।

image

তুরস্কে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিরিকদারোগলু (মাঝে) এবং তার জোট সঙ্গীরা -আলজাজিরা

আরও খবর
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, উপমুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার
অভ্যুত্থানের পর ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনেছে মায়ানমার

শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ , ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৪

দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে এরদোয়ানের বিপক্ষে একজোট বিরোধীরা

image

তুরস্কে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিরিকদারোগলু (মাঝে) এবং তার জোট সঙ্গীরা -আলজাজিরা

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কেউ প্রয়োজনীয় ভোট না পওয়ায় আগামী ২৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এমন অবস্থায় তুরস্কে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে হারাতে একজোট হয়েছে বিরোধী দলগুলো। জোটের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন কামাল কিরিকদারোগলু।

গত মঙ্গলবার এক ভিডিওতে কামালকে দেখা যায় মুষ্টিবদ্ধ হাতে তিনি চিৎকার করে বলছেন, ‘আমি এখানে আছি, আমি এখানে।’ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা কামাল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রচার চালানোর চেষ্টা করেছিলেন। প্রচারণায় রান্নাঘর থেকে রেকর্ড করা চ্যাট ক্লিপগুলোতে ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন। এসব বার্তায় এরদোয়ানের করা সব মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফার নির্বাচনে জিততে না পেরে প্রচারণা টিমকে বাদ দিয়েছেন কামাল। এরদোয়ানের তীব্র বিরোধী ও ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামগলুকে এবার নির্বাচনী প্রচারণার দায়িত্ব দিতে চাইছেন তিনি।

আল-জাজিরা জানায়, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে এরদোয়ান জয়ী হলে তুরস্কের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসক হিসেবে তার অবস্থান বজায় থাকবে। তার অধীন তুরস্কে ২০১৮ সালে গৃহীত প্রেসিডেন্টশাসিত শাসনব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। জীবনযাপনের খরচ বাড়া জনিত চাপ থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে এরদোয়ান সরকার জ্বালানি বিলে ভর্তুকি, অবসর ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। অন্যদিকে, যদি কামাল জয়ী হন, তবে বোঝা যাবে ভোটারদের একটা বড় অংশ পরিবর্তন চান। মধ্যপন্থি নেতা কামাল তুরস্কে ‘দৃঢ় সংসদীয় শাসনব্যবস্থা’ ফিরিয়ে আনবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এদিকে, তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) বলেছে, নির্বাচনে হাজারো ব্যালট বাক্সে অনিয়ম হয়েছে। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে তারা।

ধর্মনিরপেক্ষ দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) ডেপুটি চেয়ারম্যান মুহাররেম এরকেক বলেন, প্রতিটি ব্যালট বাক্সের ক্ষেত্রেই কোনো না কোনো অনিয়ম দেখা গেছে। কোথাও হয়তো একটি ভোট গুনতে ভুল হয়েছে, আবার কোথাও শত শত ভোট গুনতে ভুল হয়েছে।

নির্বাচনে দেশজুড়ে ব্যবহৃত ২ হাজার ২৬৯টির বেশি ব্যালট বাক্সে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে সিএইচপি। একই দিনে পার্লামেন্ট নির্বাচনে ব্যবহৃত ৪ হাজার ৮২৫টি ব্যালট বাক্সেও অনিয়ম হয়েছে।

এরকেক বলেন, নির্বাচনের জন্য তুরস্কে এবং দেশটির বাইরে ২ লাখ ১ হাজার ৮০৭টি ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। এরকেকের তথ্যানুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার সময়সীমা গত সোমবার শেষ হয়েছে। আর পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানানোর সময়সীমা শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার। তিনি জানিয়েছেন, এসব সময়সীমার মধ্যেই সিএইচপি তাদের সব কটি আবেদন জানিয়েছে।

সিএইচপিসহ বিরোধী জোট তরুণ ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে, তারা যেন দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কামালকে সমর্থন দেন। আর এরদোয়ান প্রচার চালাচ্ছেন, একমাত্র তিনিই নেটোর সদস্য দেশ তুরস্কে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারেন।

এবারের এই নির্বাচনটি পশ্চিমা দেশগুলো খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ কামাল তুরস্কে গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি তার নেটো মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ইসলামপন্থি সরকার পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তার পতনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছে।

গত সোমবার কামাল মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে আঙ্কারায় তার দলের সদর দফতরে একটি মঞ্চে এসে দাঁড়ান এবং ভোট নিয়ে খুব আশাবাদী দেখানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। যদি গোটা জাতি [ভোটে] দ্বিতীয় রাউন্ডের কথা বলে, তাহলেও আমরা দ্বিতীয় রাউন্ডে জিতব, বলেন তিনি।

দলীয় সদর দফতরের বাইরে সমর্থকরা বার বার করে একটি স্লোগান দিচ্ছিলেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু সেটা যে কী হবে তা ঠিক পরিষ্কার না।

এর আগে তিনি বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে সরকারকে বারবার চ্যালেঞ্জ করেন এবং ক্রুদ্ধভাবে অভিযোগ করেন যে সরকার গণরায়কে ঠেকিয়ে দিতে চাইছে।

তার দলের দুই উদীয়মান তারকা ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার মেয়রও ভোটারদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে এটি এমন একটি কৌশল যা এরদোয়ানের একে পার্টি আগেও ব্যবহার করেছিল।

ভোটের সময় যাতে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে ব্যালট পেপার পাহারা দিয়েছিলেন যে বিরোধীদলীয় স্বেচ্ছাসেবকদের বিশাল দল তারা তাদেরও প্রশংসা করেন।

কামাল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির নেতা হিসাবে আগে বেশ ক’টি নির্বাচনে হেরেছেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতির মাত্রাতিরিক্ত ক্ষমতা বাতিল করার প্রশ্নে তার বার্তাটি জনমনে গভীর দাগ কেটেছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে পর পর দু’বার ভূমিকম্পের সময় ধীর উদ্ধার তৎপরতার জন্য এরদোয়ানের সরকারকে দায়ী করা হয়েছে। তুরস্কের ১১টি প্রদেশে ঐ ভূমিকম্পে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। তবে ঐ ঘটনার পর খুব কঠিন ক’মাস পর হলেও তুরস্কের প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট এখনও জনপ্রিয়তা বজায় রেখেছেন বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে।