টেলিনর এশিয়ার ‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ জরিপ

নিজেদের ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গত বছর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৮টি দেশে ‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ শীর্ষক এক জরিপ পরিচালনা করে টেলিনর এশিয়া। জরিপের প্রাথমিক ফলাফলে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় উঠে আসে। একইভাবে, সমীক্ষার দ্বিতীয় অংশ উন্মোচন করে টেলিনর এশিয়া, যেখানে মোবাইল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে কাজের ধরনে কী রূপান্তর আসছে তা তুলে ধরা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, ক্যারিয়ার দক্ষতার বিকাশ ও নতুন ব্যবসায় সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কীভাবে এশিয়ার মানুষ নিজেদের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, টেলিনর এশিয়ার সমীক্ষায় তাই উঠে এসেছে।

‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ এর দ্বিতীয় অংশে মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে মহামারী পরবর্তীতে কীভাবে কাজের নতুন সংস্কৃতি গড়ে উঠছে এবং পরিবর্তিত বাস্তবতায় মানুষ কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে তা প্রকাশ করা হয়েছে। সমীক্ষার এই অংশের উঠে এসেছে, মোবাইল কানেক্টিভিটি ক্যারিয়ারের পথ সুগম করেছে; তবে, নিয়োগকর্তাদেরও কর্মস্থলের নীতি ও অনুশীলন উন্নত করার দিকে গুরুত্বারোপ করতে হবে। এতে দেখা যায়, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, ক্যারিয়ার দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ কাজে লাগাতে এশিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা পেশাগত জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। একইসঙ্গে, হাইব্রিড কাজের ধরনের নানা দিক এবং এটা কীভাবে কর্মী-নিয়োগকারীদের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে, তা এ সমীক্ষায় উঠে আসে।

বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের প্রায় ৮ হাজার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর এ সমীক্ষা চালানো হয়।

সমীক্ষার ৫৭ শতাংশ বাংলাদেশি জানান, মোবাইল ডিভাইস ও প্রযুক্তির কারণে তাদের উৎপাদনশীলতা ২০ শতাংশ বা তার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে; যেখানে ২৬ শতাংশ জানিয়েছেন তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি। ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নে মোবাইল ডিভাইস ও প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব আছে কিনা এ প্রশ্নে এমন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছে বলে জানান ৬৯ শতাংশ বাংলাদেশি।

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল থেকে দেখা যায়, ৭৩ শতাংশ নারী ও ৬৭ শতাংশ পুরুষ উত্তরদাতা জানিয়েছেন ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের উন্নতি হয়েছে।

৫৭ শতাংশ মনে করেন, মোবাইল ডিভাইস থেকে আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে। ৫৪ শতাংশ জানিয়েছেন এর মাধ্যমে নতুন চাকরি ও ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজের উদ্দেশ্যে আগামী ৬-১২ মাসের মধ্যে মোবাইল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়াবেন বলে বিশ^াস করেন ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ , ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৪

টেলিনর এশিয়ার ‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ জরিপ

image

নিজেদের ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গত বছর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৮টি দেশে ‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ শীর্ষক এক জরিপ পরিচালনা করে টেলিনর এশিয়া। জরিপের প্রাথমিক ফলাফলে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় উঠে আসে। একইভাবে, সমীক্ষার দ্বিতীয় অংশ উন্মোচন করে টেলিনর এশিয়া, যেখানে মোবাইল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে কাজের ধরনে কী রূপান্তর আসছে তা তুলে ধরা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, ক্যারিয়ার দক্ষতার বিকাশ ও নতুন ব্যবসায় সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কীভাবে এশিয়ার মানুষ নিজেদের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, টেলিনর এশিয়ার সমীক্ষায় তাই উঠে এসেছে।

‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ এর দ্বিতীয় অংশে মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে মহামারী পরবর্তীতে কীভাবে কাজের নতুন সংস্কৃতি গড়ে উঠছে এবং পরিবর্তিত বাস্তবতায় মানুষ কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে তা প্রকাশ করা হয়েছে। সমীক্ষার এই অংশের উঠে এসেছে, মোবাইল কানেক্টিভিটি ক্যারিয়ারের পথ সুগম করেছে; তবে, নিয়োগকর্তাদেরও কর্মস্থলের নীতি ও অনুশীলন উন্নত করার দিকে গুরুত্বারোপ করতে হবে। এতে দেখা যায়, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, ক্যারিয়ার দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ কাজে লাগাতে এশিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা পেশাগত জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। একইসঙ্গে, হাইব্রিড কাজের ধরনের নানা দিক এবং এটা কীভাবে কর্মী-নিয়োগকারীদের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে, তা এ সমীক্ষায় উঠে আসে।

বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের প্রায় ৮ হাজার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর এ সমীক্ষা চালানো হয়।

সমীক্ষার ৫৭ শতাংশ বাংলাদেশি জানান, মোবাইল ডিভাইস ও প্রযুক্তির কারণে তাদের উৎপাদনশীলতা ২০ শতাংশ বা তার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে; যেখানে ২৬ শতাংশ জানিয়েছেন তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি। ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নে মোবাইল ডিভাইস ও প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব আছে কিনা এ প্রশ্নে এমন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছে বলে জানান ৬৯ শতাংশ বাংলাদেশি।

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল থেকে দেখা যায়, ৭৩ শতাংশ নারী ও ৬৭ শতাংশ পুরুষ উত্তরদাতা জানিয়েছেন ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের উন্নতি হয়েছে।

৫৭ শতাংশ মনে করেন, মোবাইল ডিভাইস থেকে আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে। ৫৪ শতাংশ জানিয়েছেন এর মাধ্যমে নতুন চাকরি ও ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজের উদ্দেশ্যে আগামী ৬-১২ মাসের মধ্যে মোবাইল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়াবেন বলে বিশ^াস করেন ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।