বরিশাল : নৌকার প্রার্থী খোকনের নির্বাচনী দায়িত্ব এখন বড় ভাই হাসানাতের ওপর

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রক শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ছেলে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। আর মহানগর আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেতা তারই পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, তার আপন চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতসহ অন্যরা। সাদিকের পিতা হাসানাত মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর অনুরোধ উপেক্ষা করে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছেন ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্টের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ খোকন সেরনিয়াবাতকে।

আর তারপর থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ হাসানাতের একান্ত অনুসারীরা পরোক্ষভাবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেন। এমনকি সাদিকের অনুসারিরা নৌকার প্রার্থীর প্রচারকর্মীদের সশস্ত্র নির্যাতন, জীবন নাশের হুমকিও দিতে শুরু করে। আবার মে দিবস, প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এবং মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ পৃথক পৃথকভাবে পালন করেছে। অবশ্য মহানগর ও জেলা কমিটির নেতারা বলছেন তারা সভায় নৌকার জন্য ভোট চাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর তারা নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন। যার জন্য বরিশালবাসীর অনেকের মনেই প্রশ্ন দেখা দেয় যে, সত্যিকার অর্থেই এরা শেষ পর্যন্ত কি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে থাকবেন না অন্য কোন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। ইতোমধ্যে ভোটের বাজারে প্রচলিত আছে যে, ইসলামী আন্দোলনের মত একটি ধর্মীয় দলের প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর অনুসারীরা সমর্থন করবে আশ^াস পেয়েই সৈয়দ ফয়জুল করীম প্রার্থী হয়েছেন।

অন্যদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ ঢাকায় অবস্থানরত পিতার সঙ্গে ঈদ পালন করে বরিশাল এসে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন বলে প্রচার করা হয়েছিল। ঈদের পরও তিনি বরিশাল না আসায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা বলতে শুরু করেন শীঘ্রই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল এসে যৌথসভা করে নির্বাচনী পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ করে কর্মীদেরকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার নির্দেশ দেবেন। ইতোমধ্যে বরিশালে প্রচার করা হয় আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ অসুস্থ। তাই তিনি বরিশাল আসতে পারছেন না। আর অুসস্থ পিতাকে ফেলে রেখে পুত্র সাদিক আবদুল্লাহও বরিশাল আসতে পারছেন না।

বড় ভাই হাসানাত আবদুল্লাহ ও ভাতিজা সাদিক আবদুল্লাহ দীর্ঘদিনেও বরিশাল না আসায় মেয়র প্রার্থী বাধ্য হয়ে তার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন সাবেক নন্দিত মেয়র মরহুম শওকত হোসেনের অনুসারীসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোন মূল্যায়ন না হওয়া ব্যক্তিরা। এই কমিটিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুছ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক সাদেক আবদুল্লাহকে সদস্য করা হয়নি। পরে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে প্রধান উপদেষ্টা, তালুকদার মো. ইউনুছসহ সমাজের বিভিন্ন পেশার নাগরিকদের সদস্য করা হয়। এই সময়ে নির্বচনী কমিটির সমন্বয়ক লস্কর নুুরল হককে মহানগর কমিটির সভাপতি ও সম্পাদককে দুটি কমিটির একটিরও সদস্য না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন মহানগর কমিটির সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সম্পাদক বর্তমান মেয়র। তাই তাদেরকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য করা হলে আইনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে বিবেচনায় কোন কমিটিতেই না রাখা হলেও আশা করা হচ্ছে তারা দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

এ অবস্থায় বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নিস্ক্রীয়তা দূর করে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির ৯ জন সদস্য নিয়ে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে জেলা কমিটির সভাপতি ও প্রর্থীর বড় ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে। কমিটিতে সমন্বয়ক হয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুগ্ম সমন্বয়ক হয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান ও গোলাম কবীর চিনুকে। গত বুধবার রাতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অবশ্য কমিটির প্রধান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ মন্ত্রীর পদ মর্যদার সংসদ সদস্য। বরিশাল নগরীতে এসে প্রকাশ্যে নির্বাচন পরিচালনার কার্যক্রম করতে পারবে কি-না তা নিয়ে সংশয় আছে। আবার যেহেতু তার পৈত্রিক বাড়ি বরিশাল শহরে তাই তার পক্ষে বরিশাল শহরে আসায় কোন অসুবিধা থাকার কথাও নয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিজয়ী না হলে এই কমিটিকেই জবাবদিহি করতে হবে।

বরিশাল ঃ মেয়র পদে চার স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৮ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

বরিশাল সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে ১০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। কিন্তু গতকাল বাছাইয়ের পর চারজনের মনোনয়ন পত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বাতিল করেছেন। বাকি ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গৃহীত হয়েছে।

যাদের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুল কবির, সৈয়দ এছাহাক আবুল খায়ের, মো. আসাদুজ্জামান ও নেছারউদ্দিন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত), ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, জাতীয় পার্টির প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু, বিএনপি ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন ও কাশীপুরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষিত হয়েছে।

অন্যদিকে বাতিলের তালিকায় সাধারণ কউন্সিলর পদে ১২ জন ও দুই সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীও রয়েছে। ফলে এ নগর পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন ও সংরক্ষিত নারী আসনে ৪০ জন নির্বাচনী লড়াইয়ের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ , ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৪

নগর নির্বাচন

বরিশাল : নৌকার প্রার্থী খোকনের নির্বাচনী দায়িত্ব এখন বড় ভাই হাসানাতের ওপর

মানবেন্দ্র বটব্যাল, বরিশাল

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রক শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ছেলে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। আর মহানগর আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেতা তারই পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, তার আপন চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতসহ অন্যরা। সাদিকের পিতা হাসানাত মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর অনুরোধ উপেক্ষা করে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছেন ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্টের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ খোকন সেরনিয়াবাতকে।

আর তারপর থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ হাসানাতের একান্ত অনুসারীরা পরোক্ষভাবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেন। এমনকি সাদিকের অনুসারিরা নৌকার প্রার্থীর প্রচারকর্মীদের সশস্ত্র নির্যাতন, জীবন নাশের হুমকিও দিতে শুরু করে। আবার মে দিবস, প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এবং মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ পৃথক পৃথকভাবে পালন করেছে। অবশ্য মহানগর ও জেলা কমিটির নেতারা বলছেন তারা সভায় নৌকার জন্য ভোট চাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর তারা নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন। যার জন্য বরিশালবাসীর অনেকের মনেই প্রশ্ন দেখা দেয় যে, সত্যিকার অর্থেই এরা শেষ পর্যন্ত কি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে থাকবেন না অন্য কোন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। ইতোমধ্যে ভোটের বাজারে প্রচলিত আছে যে, ইসলামী আন্দোলনের মত একটি ধর্মীয় দলের প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর অনুসারীরা সমর্থন করবে আশ^াস পেয়েই সৈয়দ ফয়জুল করীম প্রার্থী হয়েছেন।

অন্যদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ ঢাকায় অবস্থানরত পিতার সঙ্গে ঈদ পালন করে বরিশাল এসে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন বলে প্রচার করা হয়েছিল। ঈদের পরও তিনি বরিশাল না আসায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা বলতে শুরু করেন শীঘ্রই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল এসে যৌথসভা করে নির্বাচনী পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ করে কর্মীদেরকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার নির্দেশ দেবেন। ইতোমধ্যে বরিশালে প্রচার করা হয় আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ অসুস্থ। তাই তিনি বরিশাল আসতে পারছেন না। আর অুসস্থ পিতাকে ফেলে রেখে পুত্র সাদিক আবদুল্লাহও বরিশাল আসতে পারছেন না।

বড় ভাই হাসানাত আবদুল্লাহ ও ভাতিজা সাদিক আবদুল্লাহ দীর্ঘদিনেও বরিশাল না আসায় মেয়র প্রার্থী বাধ্য হয়ে তার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন সাবেক নন্দিত মেয়র মরহুম শওকত হোসেনের অনুসারীসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোন মূল্যায়ন না হওয়া ব্যক্তিরা। এই কমিটিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুছ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক সাদেক আবদুল্লাহকে সদস্য করা হয়নি। পরে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে প্রধান উপদেষ্টা, তালুকদার মো. ইউনুছসহ সমাজের বিভিন্ন পেশার নাগরিকদের সদস্য করা হয়। এই সময়ে নির্বচনী কমিটির সমন্বয়ক লস্কর নুুরল হককে মহানগর কমিটির সভাপতি ও সম্পাদককে দুটি কমিটির একটিরও সদস্য না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন মহানগর কমিটির সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সম্পাদক বর্তমান মেয়র। তাই তাদেরকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য করা হলে আইনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে বিবেচনায় কোন কমিটিতেই না রাখা হলেও আশা করা হচ্ছে তারা দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

এ অবস্থায় বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নিস্ক্রীয়তা দূর করে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির ৯ জন সদস্য নিয়ে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে জেলা কমিটির সভাপতি ও প্রর্থীর বড় ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে। কমিটিতে সমন্বয়ক হয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুগ্ম সমন্বয়ক হয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান ও গোলাম কবীর চিনুকে। গত বুধবার রাতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অবশ্য কমিটির প্রধান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ মন্ত্রীর পদ মর্যদার সংসদ সদস্য। বরিশাল নগরীতে এসে প্রকাশ্যে নির্বাচন পরিচালনার কার্যক্রম করতে পারবে কি-না তা নিয়ে সংশয় আছে। আবার যেহেতু তার পৈত্রিক বাড়ি বরিশাল শহরে তাই তার পক্ষে বরিশাল শহরে আসায় কোন অসুবিধা থাকার কথাও নয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিজয়ী না হলে এই কমিটিকেই জবাবদিহি করতে হবে।

বরিশাল ঃ মেয়র পদে চার স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৮ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

বরিশাল সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে ১০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। কিন্তু গতকাল বাছাইয়ের পর চারজনের মনোনয়ন পত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বাতিল করেছেন। বাকি ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গৃহীত হয়েছে।

যাদের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুল কবির, সৈয়দ এছাহাক আবুল খায়ের, মো. আসাদুজ্জামান ও নেছারউদ্দিন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত), ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, জাতীয় পার্টির প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু, বিএনপি ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন ও কাশীপুরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষিত হয়েছে।

অন্যদিকে বাতিলের তালিকায় সাধারণ কউন্সিলর পদে ১২ জন ও দুই সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীও রয়েছে। ফলে এ নগর পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন ও সংরক্ষিত নারী আসনে ৪০ জন নির্বাচনী লড়াইয়ের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।