বাংলা ভাষা আমাদের চির গৌরব

বাঙালি জাতির মায়ের ভাষার ওপর আঘাত হানে পাকিস্তানি হানাদারা। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর যখন বাঙালির ভাষার ওপর আঘাত হানে পাকিস্তানিরা, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ওআমজনতা ঝাপিয়ে পড়ে মাতৃভাষা রক্ষার দাবিতে।

বায়ান্নর সেই উত্তাল ২১ এ ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার জন্য রফিক, বরকত, শফিউল্লাহ, জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হন। তারপরও বাঙালিরা থেমে থাকেননি। তারা আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে পাকিস্তানিরা বাংলাকে এদেশের মাতৃভাষারূপে মেনে নিতে বাধ্য হয়। আমরা অর্জন করি আমাদের মায়ের ভাষা, কথা বলতে পারি প্রাণ খুলে। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছেন, তারা রয়েছেন বাঙালির মনে। রয়েছেন স্মৃতির পাতায়। তারা আন্দোলন না করলে হয়তো আমাদের মায়ের ভাষাকে কখনো উপলব্ধিই করা হতো না, হতো না আমাদের নিজেদের কোন পরিচয়। গলা উঁচিয়ে হয়তো কখনো বলতে পারতাম না আমরা ‘বাঙালি’।

সামিয়া খানম

শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ , ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ২৮ শাওয়াল ১৪৪৪

বাংলা ভাষা আমাদের চির গৌরব

বাঙালি জাতির মায়ের ভাষার ওপর আঘাত হানে পাকিস্তানি হানাদারা। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর যখন বাঙালির ভাষার ওপর আঘাত হানে পাকিস্তানিরা, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ওআমজনতা ঝাপিয়ে পড়ে মাতৃভাষা রক্ষার দাবিতে।

বায়ান্নর সেই উত্তাল ২১ এ ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার জন্য রফিক, বরকত, শফিউল্লাহ, জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হন। তারপরও বাঙালিরা থেমে থাকেননি। তারা আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে পাকিস্তানিরা বাংলাকে এদেশের মাতৃভাষারূপে মেনে নিতে বাধ্য হয়। আমরা অর্জন করি আমাদের মায়ের ভাষা, কথা বলতে পারি প্রাণ খুলে। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছেন, তারা রয়েছেন বাঙালির মনে। রয়েছেন স্মৃতির পাতায়। তারা আন্দোলন না করলে হয়তো আমাদের মায়ের ভাষাকে কখনো উপলব্ধিই করা হতো না, হতো না আমাদের নিজেদের কোন পরিচয়। গলা উঁচিয়ে হয়তো কখনো বলতে পারতাম না আমরা ‘বাঙালি’।

সামিয়া খানম