সুদানে যুদ্ধবিরতির পরও লড়াই চালু

এর আগেও সুদানে লড়াইরত দুই পক্ষ- সরকারি সেনা এবং বিদ্রোহ ঘোষণাকারী আরএসএফ-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে। কিন্তু তা কখনোই কার্যকরী হয়নি। গত সোমবার রিয়াদে সৌদি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লিখিত যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয় দুইপক্ষের। তাতে স্থির হয়, আগামী সাত দিন দুই পক্ষ কোনোভাবে লড়াইয়ে অংশ নেবে না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটল না। স্থানীয় মানুষ এবং একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকেই নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। খার্তুমে একের পর এক বিমান হামলা, রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলির শব্দ শোনা গেছে থেকে থেকেই। ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে, লিখিত চুক্তিও সুদানের লড়াই থামাতে পারল না।

তিন সপ্তাহ ধরে প্রবল লড়াই চলছে সুদানে। দেশের সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে প্যারামিলিটারি বা আরএসএফ। তাদের কমান্ডার মহম্মদ হামদান দাগালোর দাবি, সেনার দুর্নীতি এবং অত্যাচারের হাত থেকে সুদানকে রক্ষা করতেই একাজ করেছেন তিনি। সুদানের শাসনক্ষমতা দখল করাই তার লক্ষ্য।

এদিন যুদ্ধবিরতির চুক্তি হওয়ার পর একটি অডিওবার্তা দিয়েছিলেন দাগালো। সেখানে সৌদি আরব এবং আমেরিকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একইসাথে জানিয়েছিলেন, লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ওই বার্তাতেই স্পষ্ট হয়ে গেছিল যে- যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।

গত তিন সপ্তাহের লড়াইয়ে কয়েক শত বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন সুদানে। উদ্বাস্তু হয়েছেন প্রায় এক মিলিয়ন মানুষ। প্রতিবেশী দেশগুলোতে তারা আশ্রয় নিয়েছেন।

জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এমন চলতে থাকলে আরো ভয়াবহ অবস্থার মুখোমুখি হবে সুদান। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশটি একটি পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হবার আর বাকি থাকবে না। এমনিতেই দেশটি দীর্ঘদিন একনায়ক সৈরশাসকের হাতে বন্দি ছিল।

বুধবার, ২৪ মে ২০২৩ , ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ০৪ জিলক্বদ শাওয়াল ১৪৪৪

সুদানে যুদ্ধবিরতির পরও লড়াই চালু

এর আগেও সুদানে লড়াইরত দুই পক্ষ- সরকারি সেনা এবং বিদ্রোহ ঘোষণাকারী আরএসএফ-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে। কিন্তু তা কখনোই কার্যকরী হয়নি। গত সোমবার রিয়াদে সৌদি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লিখিত যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয় দুইপক্ষের। তাতে স্থির হয়, আগামী সাত দিন দুই পক্ষ কোনোভাবে লড়াইয়ে অংশ নেবে না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটল না। স্থানীয় মানুষ এবং একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকেই নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। খার্তুমে একের পর এক বিমান হামলা, রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলির শব্দ শোনা গেছে থেকে থেকেই। ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে, লিখিত চুক্তিও সুদানের লড়াই থামাতে পারল না।

তিন সপ্তাহ ধরে প্রবল লড়াই চলছে সুদানে। দেশের সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে প্যারামিলিটারি বা আরএসএফ। তাদের কমান্ডার মহম্মদ হামদান দাগালোর দাবি, সেনার দুর্নীতি এবং অত্যাচারের হাত থেকে সুদানকে রক্ষা করতেই একাজ করেছেন তিনি। সুদানের শাসনক্ষমতা দখল করাই তার লক্ষ্য।

এদিন যুদ্ধবিরতির চুক্তি হওয়ার পর একটি অডিওবার্তা দিয়েছিলেন দাগালো। সেখানে সৌদি আরব এবং আমেরিকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একইসাথে জানিয়েছিলেন, লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ওই বার্তাতেই স্পষ্ট হয়ে গেছিল যে- যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।

গত তিন সপ্তাহের লড়াইয়ে কয়েক শত বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন সুদানে। উদ্বাস্তু হয়েছেন প্রায় এক মিলিয়ন মানুষ। প্রতিবেশী দেশগুলোতে তারা আশ্রয় নিয়েছেন।

জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এমন চলতে থাকলে আরো ভয়াবহ অবস্থার মুখোমুখি হবে সুদান। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশটি একটি পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হবার আর বাকি থাকবে না। এমনিতেই দেশটি দীর্ঘদিন একনায়ক সৈরশাসকের হাতে বন্দি ছিল।