নাইন-ইলেভেন

২২ বছর পর নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত, আজও অজ্ঞাত সহস্রাধিক

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে ভয়াবহতম সন্ত্রাসী হামলার দিন। সেই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ। এর ২২ বছর পর পরিচয় শনাক্ত হলো নিহত দুজনের। তবে আজও অজ্ঞাত সহস্রাধিক ভুক্তভোগীর পরিচয়। নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত একজন পুরুষ ও একজন নারীর পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে। তবে পরিবারের অনুরোধে তাদের পরিচয় অবশ্য গোপন রাখা হয়েছে।

নিউইয়র্কের চিফ মেডিকেল এগর্জামিনার জানিয়েছেন, এ নিয়ে নিহত ২ হাজার ৭৫৩ জনের মধ্যে ১ হাজার ৬৪৯ জনকে শনাক্ত করা গেল। দিনটি ছিল ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। যুক্তরাষ্ট্রে চারটি যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই করে সেগুলো দিয়ে আঘাত হানা হয় নিউইয়র্কের দুটি আকাশচুম্বী ভবনে (টুইন টাওয়ার)। এটি ছিল শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর মধ্যে একটি। শুধু মার্কিনিদের জন্যই নয়, গোটা বিশ্ব চমকে গিয়েছিল ঘটনার ভয়াবহতায়।

ছিনতাইকারীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে একইসঙ্গে চারটি প্লেন ছিনতাই করে। তারপর সেগুলো ব্যবহার করে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আঘাত হানার জন্য বিশাল ও নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে।

ছিনতাইকারী ছিল মোট ১৯ জন। এদের মধ্যে তিনটি দলে ছিল পাঁচজন করে, যারা প্লেন ছিনতাই করে হামলা চালায় টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে। আর যে প্লেনটি পেনসিলভেনিয়ায় ভেঙে পড়ে, তার ছিনতাইকারী দলে ছিল চারজন। প্রত্যেক দলে একজন ছিনতাইকারীর পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ ছিল।

চারটি প্লেনের ২৪৬ জন যাত্রী ও ক্রুর প্রত্যেকেই মারা যান।

টুইন টাওয়ারের দুটি ভবনে মারা যান ২ হাজার ৬০৬ জন। তাৎক্ষণিক ও পরে আঘাত থেকে পেন্টাগনের হামলায় প্রাণ হারান ১২৫ জন।

নিউইয়র্ক শহরে যারা প্রথম ঘটনাস্থলে জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় দৌড়ে যান, তাদের মধ্যে মারা যান ৪৪১ জন। হাজার হাজার মানুষ আহত হন, যারা পরে নানা ধরনের অসুস্থতার শিকার হন। যেমন দমকলকর্মীদের অনেকে বিষাক্ত বর্জ্যরে মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ , ২৮ ভাদ্র ১৪৩০, ২৬ সফর ১৪৪৫

নাইন-ইলেভেন

২২ বছর পর নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত, আজও অজ্ঞাত সহস্রাধিক

২২ বছর পর নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত, আজও অজ্ঞাত সহস্রাধিক

image

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে ভয়াবহতম সন্ত্রাসী হামলার দিন। সেই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ। এর ২২ বছর পর পরিচয় শনাক্ত হলো নিহত দুজনের। তবে আজও অজ্ঞাত সহস্রাধিক ভুক্তভোগীর পরিচয়। নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত একজন পুরুষ ও একজন নারীর পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে। তবে পরিবারের অনুরোধে তাদের পরিচয় অবশ্য গোপন রাখা হয়েছে।

নিউইয়র্কের চিফ মেডিকেল এগর্জামিনার জানিয়েছেন, এ নিয়ে নিহত ২ হাজার ৭৫৩ জনের মধ্যে ১ হাজার ৬৪৯ জনকে শনাক্ত করা গেল। দিনটি ছিল ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। যুক্তরাষ্ট্রে চারটি যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই করে সেগুলো দিয়ে আঘাত হানা হয় নিউইয়র্কের দুটি আকাশচুম্বী ভবনে (টুইন টাওয়ার)। এটি ছিল শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর মধ্যে একটি। শুধু মার্কিনিদের জন্যই নয়, গোটা বিশ্ব চমকে গিয়েছিল ঘটনার ভয়াবহতায়।

ছিনতাইকারীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে একইসঙ্গে চারটি প্লেন ছিনতাই করে। তারপর সেগুলো ব্যবহার করে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আঘাত হানার জন্য বিশাল ও নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে।

ছিনতাইকারী ছিল মোট ১৯ জন। এদের মধ্যে তিনটি দলে ছিল পাঁচজন করে, যারা প্লেন ছিনতাই করে হামলা চালায় টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে। আর যে প্লেনটি পেনসিলভেনিয়ায় ভেঙে পড়ে, তার ছিনতাইকারী দলে ছিল চারজন। প্রত্যেক দলে একজন ছিনতাইকারীর পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ ছিল।

চারটি প্লেনের ২৪৬ জন যাত্রী ও ক্রুর প্রত্যেকেই মারা যান।

টুইন টাওয়ারের দুটি ভবনে মারা যান ২ হাজার ৬০৬ জন। তাৎক্ষণিক ও পরে আঘাত থেকে পেন্টাগনের হামলায় প্রাণ হারান ১২৫ জন।

নিউইয়র্ক শহরে যারা প্রথম ঘটনাস্থলে জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় দৌড়ে যান, তাদের মধ্যে মারা যান ৪৪১ জন। হাজার হাজার মানুষ আহত হন, যারা পরে নানা ধরনের অসুস্থতার শিকার হন। যেমন দমকলকর্মীদের অনেকে বিষাক্ত বর্জ্যরে মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।