নিপাহ ভাইরাস

নিপাহ ভাইরাস একটি জুনোটিক ভাইরাস। এটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়েয় থাকে। পশু সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যেমে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস নিয়ে শীতকাল। এ সময় আমরা সবাই খেজুর গাছের কলসি থেকে রস পান করি। বাদুড়রা সাধারণত খোলা পাত্রে সংগৃহীত খেজুর রস পান করে ও মাঝে মধ্যে প্রস্রাব করে, যার ফলে সেটি নিপাহ ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি, গলা ব্যথা, মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, বেঁহুশ হয়ে যাওয়া এবং মস্তিষ্কের তীব্র সংক্রমণ জনিত স্নায়ুবিক লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়।

বর্তমানে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের কোন কার্যকরী চিকিৎসা নেই। শীতকালে এর প্রকোপ বেশি লক্ষ্য করা যায়। অনেকে এ ভাইরাস সংক্রমণের ফলে মৃত্যুবরণ করে। নিপাহ জি গ্লাইকোপ্রোটিনের বিরুদ্ধে উৎপাদিত একটি হিউম্যান মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে টিকা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করছি।

আব্দুল্লাহ বিন হাবীব

সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩ , ২৭ কার্তিক ১৪৩০, ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৫

নিপাহ ভাইরাস

নিপাহ ভাইরাস একটি জুনোটিক ভাইরাস। এটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়েয় থাকে। পশু সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যেমে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস নিয়ে শীতকাল। এ সময় আমরা সবাই খেজুর গাছের কলসি থেকে রস পান করি। বাদুড়রা সাধারণত খোলা পাত্রে সংগৃহীত খেজুর রস পান করে ও মাঝে মধ্যে প্রস্রাব করে, যার ফলে সেটি নিপাহ ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি, গলা ব্যথা, মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, বেঁহুশ হয়ে যাওয়া এবং মস্তিষ্কের তীব্র সংক্রমণ জনিত স্নায়ুবিক লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়।

বর্তমানে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের কোন কার্যকরী চিকিৎসা নেই। শীতকালে এর প্রকোপ বেশি লক্ষ্য করা যায়। অনেকে এ ভাইরাস সংক্রমণের ফলে মৃত্যুবরণ করে। নিপাহ জি গ্লাইকোপ্রোটিনের বিরুদ্ধে উৎপাদিত একটি হিউম্যান মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে টিকা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করছি।

আব্দুল্লাহ বিন হাবীব