বাকৃবি লাইব্রেরিতে সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা কৃষি বিদ্যাপীঠ হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ‘বাকৃবি’। শুধু দেশের নয়, বিদেশি শিক্ষার্থীরাও কৃষি বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে বাকৃবিতে পড়শোনা করতে আসে।

ক্যাম্পাসের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ‘গ্রন্থাগার ভবন’-এ মাত্র ৩০০টির মতো আসন রয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী জায়গা না পাওয়ায় পড়াশোনা না করেই লাইব্রেরি থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারটিতে নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে একাডেমিক বই। দীর্ঘদিন নতুন সংস্করনের একাডেমিক বই সংযোজন হয় নি। কোনো শিক্ষার্থীর একাডেমিক বই প্রয়োজন হলে শুধু মাত্র তার নিজের লাইব্রেরি কার্ড ব্যবহার করে বই নিতে পারে না। তার সঙ্গে আরো কমপক্ষে চারজনের লাইব্রেরি কার্ড জোগাড় করে বই নিতে হয়।

লাইব্রেরির নিজস্ব কোনো গ্যারেজ না থাকায় চলাচলের রাস্তায় মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাইকেল রাখতে হয়। লাইব্রেরিতে প্রবেশের সময়ই টোকেনের বিনিময়ে নিচতালায় শুধু খাতা কলম ছাড়া বাকি সবাইকিছু জমা রেখে প্রবেশ করতে হয়; কিন্তু জিনিসপত্র রাখার জন্য শেলফ আছে মাত্র ১০৪টি; যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

মোট কথা, দেশ সেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে অনেক নিচেই অবস্থান করছে বাকৃবি। শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে অতিদ্রুত লাইব্রেরির সেবার মান বৃদ্ধি করা জরুরি।

আশিকুজ্জামান

ভিআইপি মুভমেন্ট

সরকারের যানজট নিরসনে ফাস্ট ট্রাক প্রকল্পও গ্রহণ করেছে। তবুও ঢাকা শহরের যানজট নিরসন সম্ভব হয়নি। দিন দিন এটা আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

শহরের ভিআইপিদের জন্য সাধারণের শ্বাস ফেলাও এখন দায় হয়ে পড়েছে। ভিআইপির শীতাতপ সিটের কাছে অফিস, ক্লাস, পরীক্ষায় দেরি হয়ে যাওয়া কিংবা অ্যাম্বুলেন্সে শয্যাশায়ীর যন্ত্রণার আওয়াজ যেতে পারে না। উন্নত রাষ্ট্রেও ভিআইপিদের চলাচল এমনভাবে ব্যবস্থা করা হয়, যাতে জনদুর্ভোগ না হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনগণকে বুঝিয়ে দেয়া হয় ভিআইপি প্রকৃতপক্ষে কি জিনিস! রাজার হালে চলা সেই ব্যক্তিদের আর জনগণের সুবিধা বিবেচনা করে এখন থেকে ভিআইপিদের চলাচলের জন্য এমন সিস্টেম চালু করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ জানতে পারে কোথায় হবে ভিআইপি মুভমেন্ট, তাহলে অন্তত হাতে সময় নিয়ে বাসা থেকে বের হতে পারবে।

অন্যথায়, সাধারণের যানজটের উপদ্রব না করে সবচেয়ে সহজে কিভাবে ভিআইপি মুভমেন্টের ব্যবস্থা করা যায় তার সমাধান সরকারের উপরমহল থেকেই করতে হবে। পরিশেষে, ভিআইপি মহলের সুবোধের উদয় হলে আমজনতার যন্ত্রণার লাঘব হবে।

তাহজীব-উল-আলম

রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩ , ৪ অগ্রায়ন ১৪৩০, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

বাকৃবি লাইব্রেরিতে সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা কৃষি বিদ্যাপীঠ হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ‘বাকৃবি’। শুধু দেশের নয়, বিদেশি শিক্ষার্থীরাও কৃষি বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে বাকৃবিতে পড়শোনা করতে আসে।

ক্যাম্পাসের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ‘গ্রন্থাগার ভবন’-এ মাত্র ৩০০টির মতো আসন রয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী জায়গা না পাওয়ায় পড়াশোনা না করেই লাইব্রেরি থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারটিতে নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে একাডেমিক বই। দীর্ঘদিন নতুন সংস্করনের একাডেমিক বই সংযোজন হয় নি। কোনো শিক্ষার্থীর একাডেমিক বই প্রয়োজন হলে শুধু মাত্র তার নিজের লাইব্রেরি কার্ড ব্যবহার করে বই নিতে পারে না। তার সঙ্গে আরো কমপক্ষে চারজনের লাইব্রেরি কার্ড জোগাড় করে বই নিতে হয়।

লাইব্রেরির নিজস্ব কোনো গ্যারেজ না থাকায় চলাচলের রাস্তায় মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাইকেল রাখতে হয়। লাইব্রেরিতে প্রবেশের সময়ই টোকেনের বিনিময়ে নিচতালায় শুধু খাতা কলম ছাড়া বাকি সবাইকিছু জমা রেখে প্রবেশ করতে হয়; কিন্তু জিনিসপত্র রাখার জন্য শেলফ আছে মাত্র ১০৪টি; যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

মোট কথা, দেশ সেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে অনেক নিচেই অবস্থান করছে বাকৃবি। শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে অতিদ্রুত লাইব্রেরির সেবার মান বৃদ্ধি করা জরুরি।

আশিকুজ্জামান

ভিআইপি মুভমেন্ট

সরকারের যানজট নিরসনে ফাস্ট ট্রাক প্রকল্পও গ্রহণ করেছে। তবুও ঢাকা শহরের যানজট নিরসন সম্ভব হয়নি। দিন দিন এটা আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

শহরের ভিআইপিদের জন্য সাধারণের শ্বাস ফেলাও এখন দায় হয়ে পড়েছে। ভিআইপির শীতাতপ সিটের কাছে অফিস, ক্লাস, পরীক্ষায় দেরি হয়ে যাওয়া কিংবা অ্যাম্বুলেন্সে শয্যাশায়ীর যন্ত্রণার আওয়াজ যেতে পারে না। উন্নত রাষ্ট্রেও ভিআইপিদের চলাচল এমনভাবে ব্যবস্থা করা হয়, যাতে জনদুর্ভোগ না হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনগণকে বুঝিয়ে দেয়া হয় ভিআইপি প্রকৃতপক্ষে কি জিনিস! রাজার হালে চলা সেই ব্যক্তিদের আর জনগণের সুবিধা বিবেচনা করে এখন থেকে ভিআইপিদের চলাচলের জন্য এমন সিস্টেম চালু করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ জানতে পারে কোথায় হবে ভিআইপি মুভমেন্ট, তাহলে অন্তত হাতে সময় নিয়ে বাসা থেকে বের হতে পারবে।

অন্যথায়, সাধারণের যানজটের উপদ্রব না করে সবচেয়ে সহজে কিভাবে ভিআইপি মুভমেন্টের ব্যবস্থা করা যায় তার সমাধান সরকারের উপরমহল থেকেই করতে হবে। পরিশেষে, ভিআইপি মহলের সুবোধের উদয় হলে আমজনতার যন্ত্রণার লাঘব হবে।

তাহজীব-উল-আলম