নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই

যে শক্তির উৎস নিঃশেষ হয়ে যায় না, অল্প সময়ের মধ্যে পুনরায় ব্যবহার করা যায় তার নাম নবায়নযোগ্য জ্বালানি। এ জ্বালানির উৎস হলো-সৌরশক্তি, ভূতাপ, বায়ূ প্রবাহ,জ লপ্রবাহ, সমুদ্রঢেউ, সমুদ্রতাপ, বায়োগ্যাস, বায়োফুয়েল, আর্বজনা ইত্যাদি।এসব উৎস কাজে লাগিয়ে বিদুৎ উৎপাদন করা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে বিদুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।আমরা কেন এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবো?এ থেকে নানাভাবে উপকৃত হতে পারি আমরা।প্রথমত নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিবেশ বান্ধব।দ্বিতীয়ত,এটি উচ্চ মূল্যে কিনতে হবে না,ফলে প্রয়োজন হবে না ভর্তুকি দেওয়ার।পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপর নির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে।

বস্তুতত বিশ্বকে ক্রমান্বয়ে সেদিকেই যেতে হবে,কাজেই আমাদের ও উচিত আমরা যাতে দ্রুত সেই পথে অগ্রসর হতে পারি সেই পদক্ষেপ নেওয়া।এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে।বিদুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের উচিত অবিলম্বে একটি ভোক্তা বান্ধব জ্বালানি নীতি প্রণয়ন তার বাস্তবায়ন করা একই সঙ্গে এ খাতে বিদ্যমান সব দুর্নীতির মূল্যেৎপাটন করা।

বর্তমানে বিদুৎ খাতে যে সংকট চলছে,নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২২ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।দুর্ভাগ্যজনক,নবায়নযোগ্য,জ্বালানি আহরণের বিষয়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হলে ও তা বাস্তবায়নে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।এর অন্যতম কারণ হলো বিদুৎখাতের দুর্নীতি।

আব্বাসউদ্দিন আহমদ

রবিবার, ০৯ জুন ২০২৪ , ২৯ জৈষ্ঠ্য ১৪৩১ ৩০ জিলক্বদ ১৪৪৫

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই

যে শক্তির উৎস নিঃশেষ হয়ে যায় না, অল্প সময়ের মধ্যে পুনরায় ব্যবহার করা যায় তার নাম নবায়নযোগ্য জ্বালানি। এ জ্বালানির উৎস হলো-সৌরশক্তি, ভূতাপ, বায়ূ প্রবাহ,জ লপ্রবাহ, সমুদ্রঢেউ, সমুদ্রতাপ, বায়োগ্যাস, বায়োফুয়েল, আর্বজনা ইত্যাদি।এসব উৎস কাজে লাগিয়ে বিদুৎ উৎপাদন করা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে বিদুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।আমরা কেন এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবো?এ থেকে নানাভাবে উপকৃত হতে পারি আমরা।প্রথমত নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিবেশ বান্ধব।দ্বিতীয়ত,এটি উচ্চ মূল্যে কিনতে হবে না,ফলে প্রয়োজন হবে না ভর্তুকি দেওয়ার।পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপর নির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে।

বস্তুতত বিশ্বকে ক্রমান্বয়ে সেদিকেই যেতে হবে,কাজেই আমাদের ও উচিত আমরা যাতে দ্রুত সেই পথে অগ্রসর হতে পারি সেই পদক্ষেপ নেওয়া।এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে।বিদুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের উচিত অবিলম্বে একটি ভোক্তা বান্ধব জ্বালানি নীতি প্রণয়ন তার বাস্তবায়ন করা একই সঙ্গে এ খাতে বিদ্যমান সব দুর্নীতির মূল্যেৎপাটন করা।

বর্তমানে বিদুৎ খাতে যে সংকট চলছে,নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২২ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।দুর্ভাগ্যজনক,নবায়নযোগ্য,জ্বালানি আহরণের বিষয়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হলে ও তা বাস্তবায়নে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।এর অন্যতম কারণ হলো বিদুৎখাতের দুর্নীতি।

আব্বাসউদ্দিন আহমদ