হাশেম খানের কাজকে সবাই গ্রহণ করেছে

রফিকুন নবী

বাংলাদেশের চিত্রাঙ্গনে শিল্পী হাশেম খান একটি বিশিষ্ট নাম ও অনেক বড়মাপের শিল্পী। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর কাজ দেখে দেখে বড় হয়েছে। বিশেষ করে পাঠ্যপুস্তকগুলোতে তাঁর যে অসাধারণ ইলাস্ট্রেশনগুলো বিভিন্ন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা দেখেছে, তারা তা আজও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তাঁর বিভিন্ন প্রদর্শনী ও অসংখ্য চিত্রকর্মের মাঝে তিনি এখনো উজ্জ্বলভাবে বাস করছেন।

শিল্পী হাশেম খান এবং আমি- আমরা একসঙ্গে কাজ করে আসছি শুরু থেকেই। কখনো আমরা পরস্পর থেকে বিচ্যুত হইনি। আমরা পরস্পরের সঙ্গে চিন্তার বিনিময় করেছি। যদিও তিনি বয়সে আমার থেকে সামান্য বড়। কিন্তু একসঙ্গে চলাচলের ক্ষেত্রে তা কখনো কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেনি।

আমাদের সেই একাডেমিক জীবন থেকে আজ পর্যন্ত আমরা পস্পপরের ঘনিষ্ঠজন হয়েই কাজ করে চলেছি। একসঙ্গে ছবি আঁকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিল্প বিপ্লব, শিল্প আন্দোলনে আমরা পরস্পরের কাছাকাছি থেকে কাজ করেছি। এভাবে একসঙ্গে কাজ করতে করতে তিনি তাঁর মতো ছবি এঁকেছেন। আমি আমার মতো কাজ করেছি। শুধু ছবি আঁকার ক্ষেত্রেই নয়; সেই সত্তরের দশকের রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে আমরা একত্রে কাজ করেছি। আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, তিনি আমাকে সব সময় তাঁর সঙ্গে রেখেছেন। তাঁর মতো শিল্পী, আমাকে সঙ্গে না রাখলেও পারতেন। কিন্তু তিনি আমাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। এজন্য আমার পথ চলতে সুবিধা হয়েছে। আলাদা সাহস পেয়েছি। তার অবদার কখনো অস্বীকার করা যাবে না। এজন্য আমি বলতে চাই আমি তার কাছে ঋণি হয়ে আছি। তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা বোধ কখনো শেষ হবে না।

তিনি জাতীয় জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। দৃষ্টান্তস্থাপনকারী কাজ করেছেন। এটা আমাদের শিল্প আন্দোলনের অংশ। অনেক আগে থেকেই তাঁর ছবি আঁকার একটা স্টাইল দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর কাজের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে- যেটা সকলে গ্রহণ করেছে এবং ভালবেসেছে। আমাদের চিত্রাঙ্গনে তাঁর শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁর কাজের প্রতি ও ব্যক্তিত্বের প্রতি ভাললাগা আছে বলেই শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত আমি তাঁর সঙ্গে কাজ করে চলেছি। তাঁর ছবি দেখলে বোঝা যায়, এটা হাশেম খানের কাজ। এভাবে এক-একজন শিল্পীর একটি নিজস্ব ধারা তৈরি হয়। শিল্পী হাশেম খান তাঁর সেই নিজস্ব ধারাটি তৈরি করতে পেরেছেন; এবং সেটি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছে।

এ বছর তিনি ৮৪ বছরে পদার্পণ করলেন। তাঁর এই চুরাশিতম জন্মদিনে আমি তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তিনি দীর্ঘজীবী হোন।

সম্পাদকীয় নোট

[জন্ম ও পারিবারিক জীবন: হাশেম খানের পুরো নাম মো. আবুল হাশেম খান। তাঁর জন্ম ১৯৪১ সালের ১ জুলাই চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেকদি গ্রামে। বাবার নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান। তিনি ছিলেন তৎকালীন কুমিল্লা জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মা নূরেন্নেসা খানম, গৃহিণী। বাবা-মায়ের ১৪টি সন্তানের মধ্যে হাশেম খান ৬ষ্ঠ সন্তান। তাঁর স্ত্রী পারভীন হাশেম, কন্যা কনক খান রিয়াজ, পুত্র শান্তনু খান।

শিক্ষাজীবন : হাশেম খানের শিক্ষা জীবনের শুরু গ্রামের মুন্সিবাড়ি প্রাথমিক স্কুলে। সেখানে কিছুদিন পড়ার পর ১৯৪৯ সালে চলে যান ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে। পরবর্তীতে ভর্তি হন চাঁদপুরের হাসান আলী হাই স্কুলে। ১৯৫৬ সালে সেই স্কুল থেকেই ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে নিজের আগ্রহে ভর্তি হন তৎকালীন গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজে (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) ১৯৬১ সালে চিত্রকলায় প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬১-১৯৬৩ পর্যন্ত এশিয়া ফাউন্ডেশনের বৃত্তিতে মৃৎশিল্পে রিসার্চ স্কলার হিসেব কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জাপানের টোকিওতে শিশু পুস্তক চিত্রণে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

কর্মজীবন : হাশেম খান ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এছাড়া ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান গ্রন্থ অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পকলার দায়িত্ব নিয়ে কলকাতা, দিল্লি ও বোম্বাইয়ে প্রদর্শনী করেছেন। আন্তর্জাতিক শিশুবর্ষ ১৯৭৯ উপলক্ষে জাপানে শিশু পুস্তক শিল্পীদের সম্মেলনে, ১৯৮৫, ১৯৮৬, ১৯৮৭ ও ১৯৮৯ সালে টোকিও, চেকেস্লোভাকিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিতব্য ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ’-এর জুরি বোর্ড ও বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য (১৯৯৭-২০০০) হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন জাতীয় চিত্রশালা, জাতীয় নাট্যশালা এবং জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্রের বাস্তবায়নের স্টিয়ারিং কমিটির (৩ সদস্যের) বিশেষজ্ঞ সদস্য। ঢাকা নগর জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ের অলংকরণ ছাড়াও তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে চারুকলা ও ললিতকলা বিষয়ক পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করেছেন। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিষয়ভিত্তিক ৫টি গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি।

তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ২০১১ সালে হাশেম খানকে তাঁর অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা পদক পুরস্কার প্রদান করে।- সূত্র : উইকিপিডিয়া]

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুলাই ২০২৪ , ২০ আষাড় ১৪৩১ ২৬ জ্বিলহজ্ব ১৪৪৫

হাশেম খানের কাজকে সবাই গ্রহণ করেছে

রফিকুন নবী

image

বাংলাদেশের চিত্রাঙ্গনে শিল্পী হাশেম খান একটি বিশিষ্ট নাম ও অনেক বড়মাপের শিল্পী। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর কাজ দেখে দেখে বড় হয়েছে। বিশেষ করে পাঠ্যপুস্তকগুলোতে তাঁর যে অসাধারণ ইলাস্ট্রেশনগুলো বিভিন্ন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা দেখেছে, তারা তা আজও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তাঁর বিভিন্ন প্রদর্শনী ও অসংখ্য চিত্রকর্মের মাঝে তিনি এখনো উজ্জ্বলভাবে বাস করছেন।

শিল্পী হাশেম খান এবং আমি- আমরা একসঙ্গে কাজ করে আসছি শুরু থেকেই। কখনো আমরা পরস্পর থেকে বিচ্যুত হইনি। আমরা পরস্পরের সঙ্গে চিন্তার বিনিময় করেছি। যদিও তিনি বয়সে আমার থেকে সামান্য বড়। কিন্তু একসঙ্গে চলাচলের ক্ষেত্রে তা কখনো কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেনি।

আমাদের সেই একাডেমিক জীবন থেকে আজ পর্যন্ত আমরা পস্পপরের ঘনিষ্ঠজন হয়েই কাজ করে চলেছি। একসঙ্গে ছবি আঁকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিল্প বিপ্লব, শিল্প আন্দোলনে আমরা পরস্পরের কাছাকাছি থেকে কাজ করেছি। এভাবে একসঙ্গে কাজ করতে করতে তিনি তাঁর মতো ছবি এঁকেছেন। আমি আমার মতো কাজ করেছি। শুধু ছবি আঁকার ক্ষেত্রেই নয়; সেই সত্তরের দশকের রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে আমরা একত্রে কাজ করেছি। আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, তিনি আমাকে সব সময় তাঁর সঙ্গে রেখেছেন। তাঁর মতো শিল্পী, আমাকে সঙ্গে না রাখলেও পারতেন। কিন্তু তিনি আমাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। এজন্য আমার পথ চলতে সুবিধা হয়েছে। আলাদা সাহস পেয়েছি। তার অবদার কখনো অস্বীকার করা যাবে না। এজন্য আমি বলতে চাই আমি তার কাছে ঋণি হয়ে আছি। তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা বোধ কখনো শেষ হবে না।

তিনি জাতীয় জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। দৃষ্টান্তস্থাপনকারী কাজ করেছেন। এটা আমাদের শিল্প আন্দোলনের অংশ। অনেক আগে থেকেই তাঁর ছবি আঁকার একটা স্টাইল দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর কাজের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে- যেটা সকলে গ্রহণ করেছে এবং ভালবেসেছে। আমাদের চিত্রাঙ্গনে তাঁর শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁর কাজের প্রতি ও ব্যক্তিত্বের প্রতি ভাললাগা আছে বলেই শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত আমি তাঁর সঙ্গে কাজ করে চলেছি। তাঁর ছবি দেখলে বোঝা যায়, এটা হাশেম খানের কাজ। এভাবে এক-একজন শিল্পীর একটি নিজস্ব ধারা তৈরি হয়। শিল্পী হাশেম খান তাঁর সেই নিজস্ব ধারাটি তৈরি করতে পেরেছেন; এবং সেটি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছে।

এ বছর তিনি ৮৪ বছরে পদার্পণ করলেন। তাঁর এই চুরাশিতম জন্মদিনে আমি তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তিনি দীর্ঘজীবী হোন।

সম্পাদকীয় নোট

[জন্ম ও পারিবারিক জীবন: হাশেম খানের পুরো নাম মো. আবুল হাশেম খান। তাঁর জন্ম ১৯৪১ সালের ১ জুলাই চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেকদি গ্রামে। বাবার নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান। তিনি ছিলেন তৎকালীন কুমিল্লা জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মা নূরেন্নেসা খানম, গৃহিণী। বাবা-মায়ের ১৪টি সন্তানের মধ্যে হাশেম খান ৬ষ্ঠ সন্তান। তাঁর স্ত্রী পারভীন হাশেম, কন্যা কনক খান রিয়াজ, পুত্র শান্তনু খান।

শিক্ষাজীবন : হাশেম খানের শিক্ষা জীবনের শুরু গ্রামের মুন্সিবাড়ি প্রাথমিক স্কুলে। সেখানে কিছুদিন পড়ার পর ১৯৪৯ সালে চলে যান ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে। পরবর্তীতে ভর্তি হন চাঁদপুরের হাসান আলী হাই স্কুলে। ১৯৫৬ সালে সেই স্কুল থেকেই ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে নিজের আগ্রহে ভর্তি হন তৎকালীন গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজে (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) ১৯৬১ সালে চিত্রকলায় প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬১-১৯৬৩ পর্যন্ত এশিয়া ফাউন্ডেশনের বৃত্তিতে মৃৎশিল্পে রিসার্চ স্কলার হিসেব কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জাপানের টোকিওতে শিশু পুস্তক চিত্রণে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

কর্মজীবন : হাশেম খান ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এছাড়া ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান গ্রন্থ অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পকলার দায়িত্ব নিয়ে কলকাতা, দিল্লি ও বোম্বাইয়ে প্রদর্শনী করেছেন। আন্তর্জাতিক শিশুবর্ষ ১৯৭৯ উপলক্ষে জাপানে শিশু পুস্তক শিল্পীদের সম্মেলনে, ১৯৮৫, ১৯৮৬, ১৯৮৭ ও ১৯৮৯ সালে টোকিও, চেকেস্লোভাকিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিতব্য ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ’-এর জুরি বোর্ড ও বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য (১৯৯৭-২০০০) হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন জাতীয় চিত্রশালা, জাতীয় নাট্যশালা এবং জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্রের বাস্তবায়নের স্টিয়ারিং কমিটির (৩ সদস্যের) বিশেষজ্ঞ সদস্য। ঢাকা নগর জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ের অলংকরণ ছাড়াও তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে চারুকলা ও ললিতকলা বিষয়ক পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করেছেন। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিষয়ভিত্তিক ৫টি গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি।

তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ২০১১ সালে হাশেম খানকে তাঁর অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা পদক পুরস্কার প্রদান করে।- সূত্র : উইকিপিডিয়া]