পোলট্রি শিল্প রক্ষায় ১১ দাবি

পোলট্রি খামার বাংলাদেশে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তাই এই খাতের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং অধিকারবঞ্চিত প্রান্তিক খামারিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প ফোরাম। গতকাল রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে প্রান্তিক খামারি সভায় ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

খামারিদের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- পোলট্রি ফিড ও বাচ্চার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে, খামারিদের দিয়েই খামারিদের উৎপাদিত ডিম ও মোরগ বা মুরগির ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের অবাধ সুযোগ দিতে হবে, সহজ শর্তে খামারিদের ঋণ প্রদান করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক প্রণোদনা বা সহয়তা প্রদান করতে হবে, পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল, ওষুধ, ভ্যাকসিন এবং খামারিদের ভ্যাট বা ট্যাক্স মওকুফ করতে হবে, পোলট্রি রাজস্ব বাজেট প্রণয়ন করতে হবে এবং বাজেটে এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে।

তাদের দাবির মধ্যে আরও রয়েছে, পোলট্রি শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সয়াবিন রপ্তানি বন্ধ করতে হবে, প্রান্তিক খামারি বা বিনিয়োগকারীদের সমস্যা, সংকট ও প্রয়োজনাবলী নির্ধারণ করে খামারিদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারিভাবে দীর্ঘমেয়াদি একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে, পোলট্রি শিল্পের জন্য ওষুধ এবং ভ্যাকসিন সহজলভ্য ও সিন্ডিকেটমুক্ত করতে হবে, দেশের সফল খামারিদের আর্থিক ও জীবন নিরাপত্তায় মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ থেকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে, দেশের আট বিভাগে পোলট্রি শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং খামারিদের জন্য বিশেষ বীমা চালু করতে হবে।

রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ , ২৫ আশ্বিন ১৪২৮ ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পোলট্রি শিল্প রক্ষায় ১১ দাবি

image

পোলট্রি খামার বাংলাদেশে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তাই এই খাতের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং অধিকারবঞ্চিত প্রান্তিক খামারিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প ফোরাম। গতকাল রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে প্রান্তিক খামারি সভায় ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

খামারিদের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- পোলট্রি ফিড ও বাচ্চার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে, খামারিদের দিয়েই খামারিদের উৎপাদিত ডিম ও মোরগ বা মুরগির ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের অবাধ সুযোগ দিতে হবে, সহজ শর্তে খামারিদের ঋণ প্রদান করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক প্রণোদনা বা সহয়তা প্রদান করতে হবে, পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল, ওষুধ, ভ্যাকসিন এবং খামারিদের ভ্যাট বা ট্যাক্স মওকুফ করতে হবে, পোলট্রি রাজস্ব বাজেট প্রণয়ন করতে হবে এবং বাজেটে এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে।

তাদের দাবির মধ্যে আরও রয়েছে, পোলট্রি শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সয়াবিন রপ্তানি বন্ধ করতে হবে, প্রান্তিক খামারি বা বিনিয়োগকারীদের সমস্যা, সংকট ও প্রয়োজনাবলী নির্ধারণ করে খামারিদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারিভাবে দীর্ঘমেয়াদি একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে, পোলট্রি শিল্পের জন্য ওষুধ এবং ভ্যাকসিন সহজলভ্য ও সিন্ডিকেটমুক্ত করতে হবে, দেশের সফল খামারিদের আর্থিক ও জীবন নিরাপত্তায় মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ থেকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে, দেশের আট বিভাগে পোলট্রি শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং খামারিদের জন্য বিশেষ বীমা চালু করতে হবে।