বাগেরহাটে নদী ড্রেজিংয়ের বালু ফেলে কৃষি জমি নষ্ট করার অভিযোগ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের বিরুদ্ধে জমি অধিগ্রহণ বা সাধারণ জমি মালিকদের না জানিয়েই পশুর নদ ড্রেজিংয়ের বালু ফেলা ও কৃষি জমি নষ্ট করার অভিযোগ করেছে ৭ গ্রামের জমি মালিকরা। গতকাল বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৭ গ্রামের জমি মালিকদের পক্ষে সুন্দুরতলা গ্রামের মো. আলম গাজী এ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকার হুমাউন কবির, আবু হানিফ ফকির, বিজন কুমার বৈদ্য, ওবায়দুল সরদার সিকদার আবু রেজা মুকুল প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর সচল করতে পশুর নদ ড্রেজিং করার প্রকল্প নিয়েছে। ড্রেজিংয়ের বালু ফেলার জন্য মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৭ গ্রামসহ এলাকার ৭০০ একর জমি ভাড়া নিয়েছে বলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন থেকে বলা হয়। অথচ জমি মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। জমি মালিকদের না জানিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বালু ফেলা শুরু করলে জমি মালিকরা বাধা দিয়েছে।

এ অবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সশস্ত্র গুন্ডারা গ্রামে গিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১ , ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ ২৪ রমজান ১৪৪২

সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

বাগেরহাটে নদী ড্রেজিংয়ের বালু ফেলে কৃষি জমি নষ্ট করার অভিযোগ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের বিরুদ্ধে জমি অধিগ্রহণ বা সাধারণ জমি মালিকদের না জানিয়েই পশুর নদ ড্রেজিংয়ের বালু ফেলা ও কৃষি জমি নষ্ট করার অভিযোগ করেছে ৭ গ্রামের জমি মালিকরা। গতকাল বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৭ গ্রামের জমি মালিকদের পক্ষে সুন্দুরতলা গ্রামের মো. আলম গাজী এ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকার হুমাউন কবির, আবু হানিফ ফকির, বিজন কুমার বৈদ্য, ওবায়দুল সরদার সিকদার আবু রেজা মুকুল প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর সচল করতে পশুর নদ ড্রেজিং করার প্রকল্প নিয়েছে। ড্রেজিংয়ের বালু ফেলার জন্য মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৭ গ্রামসহ এলাকার ৭০০ একর জমি ভাড়া নিয়েছে বলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন থেকে বলা হয়। অথচ জমি মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। জমি মালিকদের না জানিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বালু ফেলা শুরু করলে জমি মালিকরা বাধা দিয়েছে।

এ অবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সশস্ত্র গুন্ডারা গ্রামে গিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়েছে।