আ’লীগ-জাপার ব্যাপক প্রস্তুতি, স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নেবে বিএনপি-জামায়াত

রংপুরের পীরগঞ্জের ১০টি ইউনিয়নে ও পীরগাছা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে নির্বাচন আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ১৮টি ইউপিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। তবে দলের মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবার ঘোষণা দিয়েছে। জাতীয় পার্টিও বেশির ভাগ ইউনিয়নে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রংপুর বিভাগের জেলা পর্যায়ের জাপা নেতারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেবার জন্য দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে চিঠি দিয়েছে বলে দলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেবার ঘোষণা দিলেও দলটি জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী দিচ্ছে। বিএনপি ও জামায়াত থেকে মনোনয়ন প্রাপ্তরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানা গেছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ ও পীরগাছার ১৮টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে আগামী ১৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এ ১৮টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রাপ্তরা ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। তবে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দলীয়সূত্রে জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৯৭ জন এবং পীরগাছা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৩৩ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করে। বিশেষ করে পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন নেতাই কথা বলতে রাজি হননি। তারা দাবি করেছেন যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দল।

এদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেবার ঘোষণা দিলেও তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। এছাড়া দুটি ইউনিয়নে বিএনপি জামায়াতকে সমর্থন দিয়েছে।

পীরগাছা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান রেজা আবারও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি দলীয়ভাবে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। কান্দি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ। ছাওলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়েছেন পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজির হোসেন। তিনি এর আগেও তিনবার এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এছাড়া তাম্বুলপুর ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন জামায়াতের উপজেলা আমীর বজলুর রশীদ মুকুল। কৈকুড়ি ইউনিয়নে প্রার্থী হচ্ছে উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের রোকন মো. মিলন। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে জাতীয় পার্টি রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেবার ঘোষণা দিয়েছে। ইতিমধ্যে তারা পীরগাছা ও পীরগঞ্জে কয়েকজনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে।

জাপার রংপুর বিভাগ ইউপি নির্বাচন মনিটরিং সেলের যুগ্ম আহ্বায়ক রংপুর জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দল থেকে রংপুরের দুটি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে; বাকিগুলোতেও প্রার্থী দেবার চেষ্টা চলছে।

তবে নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় পার্টির রংপুর বিভাগীয় ইউনিয়ন পরিষদ মনিটরিং সেলের একজন দায়িত্বশীল এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না বা দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। ফলে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার জাপার নেতারা লিখিতভাবে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ না নেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন এ সরকারের অধীন কোন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

জাপার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মনিটরিং সেল রংপুর বিভাগীয় প্রধান ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ইয়াসির স্বীকার করেছেন, বিভিন্ন জেলার নেতারা নির্বাচনে অংশ না নেবার জন্য দলের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছেন।

তিনি জানান, দলের নেতারা আমাদের বলেছেন নির্বাচন করে কী লাভ? ঠিকমতো প্রচারণা চালাতে পারব বা নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে যেতে পারবে, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে এমন গ্যারান্টি কী দল দিতে পারবে? তারপরও আমরা নির্বাচনে অংশ নেব। দেখা যাক নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় কি না।

জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিএনপি এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে যাবে না। কেউ যদি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয় দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দল নেতা- কর্মীদের আশ্বস্ত করেছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একতরফা সকল নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন দেয়া হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু জানান, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে দলীয় প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। যারাই প্রার্থী হতে চেয়েছে তাদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করার নামে কোন বাণিজ্য করার সুযোগ দেয়া হয়নি। আশা করব দল যাদের মনোনয়ন দিয়েছে সকলেই তাদের পক্ষে কাজ করবে।

রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ , ২৫ আশ্বিন ১৪২৮ ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রংপুরে ১৮ ইউপিতে নির্বাচন

আ’লীগ-জাপার ব্যাপক প্রস্তুতি, স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নেবে বিএনপি-জামায়াত

রংপুরের পীরগঞ্জের ১০টি ইউনিয়নে ও পীরগাছা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে নির্বাচন আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ১৮টি ইউপিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। তবে দলের মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবার ঘোষণা দিয়েছে। জাতীয় পার্টিও বেশির ভাগ ইউনিয়নে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রংপুর বিভাগের জেলা পর্যায়ের জাপা নেতারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেবার জন্য দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে চিঠি দিয়েছে বলে দলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেবার ঘোষণা দিলেও দলটি জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থী দিচ্ছে। বিএনপি ও জামায়াত থেকে মনোনয়ন প্রাপ্তরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানা গেছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ ও পীরগাছার ১৮টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে আগামী ১৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এ ১৮টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রাপ্তরা ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। তবে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দলীয়সূত্রে জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৯৭ জন এবং পীরগাছা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৩৩ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করে। বিশেষ করে পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন নেতাই কথা বলতে রাজি হননি। তারা দাবি করেছেন যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দল।

এদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেবার ঘোষণা দিলেও তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। এছাড়া দুটি ইউনিয়নে বিএনপি জামায়াতকে সমর্থন দিয়েছে।

পীরগাছা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান রেজা আবারও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি দলীয়ভাবে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। কান্দি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ। ছাওলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়েছেন পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজির হোসেন। তিনি এর আগেও তিনবার এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এছাড়া তাম্বুলপুর ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন জামায়াতের উপজেলা আমীর বজলুর রশীদ মুকুল। কৈকুড়ি ইউনিয়নে প্রার্থী হচ্ছে উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের রোকন মো. মিলন। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে জাতীয় পার্টি রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেবার ঘোষণা দিয়েছে। ইতিমধ্যে তারা পীরগাছা ও পীরগঞ্জে কয়েকজনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে।

জাপার রংপুর বিভাগ ইউপি নির্বাচন মনিটরিং সেলের যুগ্ম আহ্বায়ক রংপুর জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দল থেকে রংপুরের দুটি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে; বাকিগুলোতেও প্রার্থী দেবার চেষ্টা চলছে।

তবে নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় পার্টির রংপুর বিভাগীয় ইউনিয়ন পরিষদ মনিটরিং সেলের একজন দায়িত্বশীল এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না বা দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। ফলে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার জাপার নেতারা লিখিতভাবে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ না নেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন এ সরকারের অধীন কোন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

জাপার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মনিটরিং সেল রংপুর বিভাগীয় প্রধান ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ইয়াসির স্বীকার করেছেন, বিভিন্ন জেলার নেতারা নির্বাচনে অংশ না নেবার জন্য দলের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছেন।

তিনি জানান, দলের নেতারা আমাদের বলেছেন নির্বাচন করে কী লাভ? ঠিকমতো প্রচারণা চালাতে পারব বা নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে যেতে পারবে, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে এমন গ্যারান্টি কী দল দিতে পারবে? তারপরও আমরা নির্বাচনে অংশ নেব। দেখা যাক নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় কি না।

জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিএনপি এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে যাবে না। কেউ যদি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয় দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দল নেতা- কর্মীদের আশ্বস্ত করেছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একতরফা সকল নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন দেয়া হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু জানান, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে দলীয় প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। যারাই প্রার্থী হতে চেয়েছে তাদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করার নামে কোন বাণিজ্য করার সুযোগ দেয়া হয়নি। আশা করব দল যাদের মনোনয়ন দিয়েছে সকলেই তাদের পক্ষে কাজ করবে।