পটুয়াখালী আদালতের বারান্দায় হামলার শিকার এক দম্পতি

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলায় হাজিরা দিতে এসে বিমল চন্দ্র মিস্ত্রী (৩৯) ও কুসুম রানী (৩২) নামের এক দম্পতি মারধোরের শিকার হয়েছে। তাদের বাড়ী বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়ন বট কাজল গ্রামে। গত সোমবার একটি মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল ওই দম্পতির । মামলার কার্যক্রম শেষে ওই দম্পতি আদালতের বারান্দা অতিক্রম কালে একই এলাকার মামলার বাদী রাসেল চৌকিদার (৩৯) গংরা তাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে। মারধোরের শিকার বিমল চন্দ্র মিস্ত্রি ও তার স্ত্রী পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে এসে এমন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী রাসেল চৌকিদার বিমল চন্দ্র মিস্ত্রীর বিরুদ্ধে গরু চুরির সাজানো মামলা দায়ের করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ মামলার শুনানির কার্যক্রম শেষে আদালত বারান্দার সামনা দিয়ে অতিক্রম কালে মামলার বাদী রাসেল চৌকিদার, চাচা সালাউদ্দিন, রুবেল খাঁ, ও সাহেব আলীসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা বিমল চন্দ্র মিস্ত্রির ওপর চরাও হয়ে মারধর করতে থাকে। স্ত্রী কুসুম রানী এসময় স্বামীকে বাচাতে গেলে রাসেল গংরা কুসুম রানীকেও লাঞ্চিত করে। আদালতের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যারা এ সময় তাদের হাত থেকে বিমলকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে বিমল চন্দ্র মিস্ত্রির স্ত্রী কুসুম রানী অভিযোগ করেন যে, ওই গ্রামে আমরা একটি মাত্র হিন্দু পরিবার বসবাস করে আসছি। রাসেল চৌকিদার গংরা আমাদের এ গ্রাম থেকে উৎখাত করার উদ্দেশে নানা অপকৌশল বেছে নিয়েছে। তারা এর ধারাবাহিকতায় আমাদের নিজস্ব পালিত গরুর চুরির নাটক সাজিয়ে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।

বুধবার, ১২ জানুয়ারী ২০২২ , ২৮ পৌষ ১৪২৮ ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পটুয়াখালী আদালতের বারান্দায় হামলার শিকার এক দম্পতি

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলায় হাজিরা দিতে এসে বিমল চন্দ্র মিস্ত্রী (৩৯) ও কুসুম রানী (৩২) নামের এক দম্পতি মারধোরের শিকার হয়েছে। তাদের বাড়ী বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়ন বট কাজল গ্রামে। গত সোমবার একটি মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল ওই দম্পতির । মামলার কার্যক্রম শেষে ওই দম্পতি আদালতের বারান্দা অতিক্রম কালে একই এলাকার মামলার বাদী রাসেল চৌকিদার (৩৯) গংরা তাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে। মারধোরের শিকার বিমল চন্দ্র মিস্ত্রি ও তার স্ত্রী পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে এসে এমন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী রাসেল চৌকিদার বিমল চন্দ্র মিস্ত্রীর বিরুদ্ধে গরু চুরির সাজানো মামলা দায়ের করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ মামলার শুনানির কার্যক্রম শেষে আদালত বারান্দার সামনা দিয়ে অতিক্রম কালে মামলার বাদী রাসেল চৌকিদার, চাচা সালাউদ্দিন, রুবেল খাঁ, ও সাহেব আলীসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা বিমল চন্দ্র মিস্ত্রির ওপর চরাও হয়ে মারধর করতে থাকে। স্ত্রী কুসুম রানী এসময় স্বামীকে বাচাতে গেলে রাসেল গংরা কুসুম রানীকেও লাঞ্চিত করে। আদালতের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যারা এ সময় তাদের হাত থেকে বিমলকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে বিমল চন্দ্র মিস্ত্রির স্ত্রী কুসুম রানী অভিযোগ করেন যে, ওই গ্রামে আমরা একটি মাত্র হিন্দু পরিবার বসবাস করে আসছি। রাসেল চৌকিদার গংরা আমাদের এ গ্রাম থেকে উৎখাত করার উদ্দেশে নানা অপকৌশল বেছে নিয়েছে। তারা এর ধারাবাহিকতায় আমাদের নিজস্ব পালিত গরুর চুরির নাটক সাজিয়ে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।