পতনের একদিন পরই শেয়ারবাজারে উত্থান

আগের কার্যদিবস পতন হলেও সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল আবার উত্থানে ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। এদিন শেয়ারবাজারের সব সূচক বেড়েছে। সূচকের সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও বেড়েছে।

গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬১.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৮৮ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৯৯৪.১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১২.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৮৫ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৭.৪২ পয়েন্ট বা ১.০৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৮০.৬৮ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৬০৬.৫৪ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ৪৮৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৪৬১ কোটি ৮ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭৮টির বা ৪৭.২১ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৫৮টির বা ৪১.৯১ শতাংশের এবং ৪১টি বা ১০.৮৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৮৯.১৪ পয়েন্ট বা ০.৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫০০.৭৫ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির দর। গতকাল সিএসইতে ৪৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

গতকাল ডিএসই’র ব্লক মার্কেটে ৩৯টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ২৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ৪৭ লাখ ৯ হাজার ৫০৫টি শেয়ার ৮৭ বার হাত বদলের মাধ্যমে ২৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে জিবিবি পাওয়ারের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার লাফার্জহোলসিমের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৬১ লাখ ৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে সামিট পাওয়ারের।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৭৮টির বা ৪৭.২১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের কার্যদিবস পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ৮২ টাকায়। গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ৯০.২০ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮.২০ টাকা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স ডিএসইর টপটেন গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

এদিন ডিএসইতে টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৯.৯৮ শতাংশ, রংপুর ফাউন্ড্রির ৯.৯৮ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ৯.৯৮ শতাংশ, ইনফর্মেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কের ৯.৯৫ শতাংশ, বসুন্ধরা পেপারের ৯.৯৪ শতাংশ, কপারটেকের ৯.৮৯ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৯.৮৬ শতাংশ, একমি পেস্টিসাইডসের ৯.৮৩ শতাংশ এবং পাওয়ার গ্রীডের শেয়ার দর ৯.৭৩ শতাংশ বেড়েছে।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৮টির বা ৪১.৯১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে ঢাকা ডাইংয়ের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের কার্যদিবস ঢাকা ডাইংয়ের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ২৪.৫০ টাকায়। গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার দর ১.৫০ টাকা বা ৬.১২ শতাংশ কমেছে। এর মাধ্যমে ঢাকা ডাইং ডিএসইর টপটেন লুজার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

এদিন ডিএসইতে টপটেন লুজার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে লাভেলোর ৪.৯৭ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিজের ৪.৯২ শতাংশ, সোনালী পেপারের ৩.৫০ শতাংশ, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৩.১৯ শতাংশ, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের ৩.১৫ শতাংশ, স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ৩.১৪ শতাংশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩.০৪ শতাংশ, আরএন স্পিনিংয়ের ২.৯৪ শতাংশ এবং মীর আখতার হোসাইনের শেয়ার দর ২.৯৩ শতাংশ কমেছে।

গতকাল ডিএসইতে ২০টি খাতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৭৭টি কোম্পানির এক হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। খাতগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ ১৪.৮২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। গতকাল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর ২১৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার বা ১৪.৮২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা বা ১২.১২ শতাংশ বিবিধ খাতে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ১১.৭৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর।

এছাড়া বীমা খাতে ১৮০ কোটি টাকা বা ১২.৩১ শতাংশ, রসায়ন খাতে ১১০ কোটি ৫ লাখ টাকা বা ৭.৫৬ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ৯৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ৬.৪২ শতাংশ, বস্ত্র খাতে ৮৭ কোটি ১০ লাখ বা ৫.৯৬ শতাংশ, আর্থিক খাতে ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ৪.৬১ শতাংশ, খাদ্য খাতে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ বা ৪.৪৮ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ খাতে ৬৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ৪.৪৩ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে ৫৩ কোটি ২০ লাখ বা ৩.৬৪ শতাংশ, চামড়া খাতে ৫৩ কোটি ৩ লাখ টাকা বা ৩.৬৩ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে ৩৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা বা ২.৩৭ শতাংশ, পেপার খাতে ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বা ২.২৯ শতাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২২ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ১.৫২ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৫ কোটি বা ১.০৩ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল খাতে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ০.৫৭ শতাংশ, সিরামিক খাতে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ০.৪৬ শতাংশ এবং পাট খাতে ৮৩ লাখ টাকার বা ০.০৬ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২ , ২৭ পৌষ ১৪২৮ ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পতনের একদিন পরই শেয়ারবাজারে উত্থান

image

আগের কার্যদিবস পতন হলেও সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল আবার উত্থানে ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। এদিন শেয়ারবাজারের সব সূচক বেড়েছে। সূচকের সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও বেড়েছে।

গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬১.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৮৮ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৯৯৪.১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১২.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৮৫ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৭.৪২ পয়েন্ট বা ১.০৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৮০.৬৮ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৬০৬.৫৪ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ৪৮৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৪৬১ কোটি ৮ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭৮টির বা ৪৭.২১ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৫৮টির বা ৪১.৯১ শতাংশের এবং ৪১টি বা ১০.৮৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৮৯.১৪ পয়েন্ট বা ০.৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫০০.৭৫ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির দর। গতকাল সিএসইতে ৪৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

গতকাল ডিএসই’র ব্লক মার্কেটে ৩৯টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ২৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ৪৭ লাখ ৯ হাজার ৫০৫টি শেয়ার ৮৭ বার হাত বদলের মাধ্যমে ২৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে জিবিবি পাওয়ারের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার লাফার্জহোলসিমের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৬১ লাখ ৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে সামিট পাওয়ারের।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৭৮টির বা ৪৭.২১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের কার্যদিবস পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ৮২ টাকায়। গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ৯০.২০ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮.২০ টাকা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স ডিএসইর টপটেন গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

এদিন ডিএসইতে টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৯.৯৮ শতাংশ, রংপুর ফাউন্ড্রির ৯.৯৮ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ৯.৯৮ শতাংশ, ইনফর্মেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কের ৯.৯৫ শতাংশ, বসুন্ধরা পেপারের ৯.৯৪ শতাংশ, কপারটেকের ৯.৮৯ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৯.৮৬ শতাংশ, একমি পেস্টিসাইডসের ৯.৮৩ শতাংশ এবং পাওয়ার গ্রীডের শেয়ার দর ৯.৭৩ শতাংশ বেড়েছে।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৮টির বা ৪১.৯১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে ঢাকা ডাইংয়ের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের কার্যদিবস ঢাকা ডাইংয়ের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ২৪.৫০ টাকায়। গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার দর ১.৫০ টাকা বা ৬.১২ শতাংশ কমেছে। এর মাধ্যমে ঢাকা ডাইং ডিএসইর টপটেন লুজার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

এদিন ডিএসইতে টপটেন লুজার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে লাভেলোর ৪.৯৭ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিজের ৪.৯২ শতাংশ, সোনালী পেপারের ৩.৫০ শতাংশ, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৩.১৯ শতাংশ, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের ৩.১৫ শতাংশ, স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ৩.১৪ শতাংশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩.০৪ শতাংশ, আরএন স্পিনিংয়ের ২.৯৪ শতাংশ এবং মীর আখতার হোসাইনের শেয়ার দর ২.৯৩ শতাংশ কমেছে।

গতকাল ডিএসইতে ২০টি খাতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৭৭টি কোম্পানির এক হাজার ৪৮৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। খাতগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ ১৪.৮২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। গতকাল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর ২১৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার বা ১৪.৮২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা বা ১২.১২ শতাংশ বিবিধ খাতে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ১১.৭৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর।

এছাড়া বীমা খাতে ১৮০ কোটি টাকা বা ১২.৩১ শতাংশ, রসায়ন খাতে ১১০ কোটি ৫ লাখ টাকা বা ৭.৫৬ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ৯৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ৬.৪২ শতাংশ, বস্ত্র খাতে ৮৭ কোটি ১০ লাখ বা ৫.৯৬ শতাংশ, আর্থিক খাতে ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ৪.৬১ শতাংশ, খাদ্য খাতে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ বা ৪.৪৮ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ খাতে ৬৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ৪.৪৩ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে ৫৩ কোটি ২০ লাখ বা ৩.৬৪ শতাংশ, চামড়া খাতে ৫৩ কোটি ৩ লাখ টাকা বা ৩.৬৩ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে ৩৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা বা ২.৩৭ শতাংশ, পেপার খাতে ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বা ২.২৯ শতাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২২ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ১.৫২ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৫ কোটি বা ১.০৩ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল খাতে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ০.৫৭ শতাংশ, সিরামিক খাতে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ০.৪৬ শতাংশ এবং পাট খাতে ৮৩ লাখ টাকার বা ০.০৬ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।